<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?> <rss
version="2.0"
xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
> <channel><title>পালা বদল</title> <atom:link href="http://www.palabadal.com/feed" rel="self" type="application/rss+xml" /><link>http://www.palabadal.com</link> <description>পরিবর্তনের প্রতিজ্ঞায়</description> <lastBuildDate>Sat, 01 May 2010 02:44:59 +0000</lastBuildDate> <language>en</language> <sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod> <sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency> <generator>http://wordpress.org/?v=3.3.1</generator> <item><title>নতুন প্রজন্মের মুক্তিযুদ্ধ</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/72.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/72.html#comments</comments> <pubDate>Sat, 01 May 2010 02:44:59 +0000</pubDate> <dc:creator>ধানসিঁড়ি</dc:creator> <category><![CDATA[অর্থনীতি]]></category> <category><![CDATA[জীবন যাপন]]></category> <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category> <category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/?p=72</guid> <description><![CDATA[আমাদের এ সুন্দর পৃথিবীতে রয়েছে অফুরন্ত সম্পদ। তবে সে সম্পদকে ব্যাবহার উপযোগী করে নেয়া সব সময় সহজ নয়। তাই এ অফুরন্ত সম্পদের মাঝে যতটুকু আমাদের আয়ত্বে এসেছে তা ব্যবহার করতে হবে পরিকল্পিতভাবে, পরিমিত ভাবে। বিশেষ করে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী সম্পদকে ব্যবহার উপযোগী করে সরবরাহ করা পুরোপুরি সম্ভব নয়। তাই সবার পক্ষে সম্পদ সমানভাবে ভোগ করাও [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>আমাদের এ সুন্দর পৃথিবীতে রয়েছে অফুরন্ত সম্পদ। তবে সে সম্পদকে ব্যাবহার  উপযোগী করে নেয়া সব সময় সহজ নয়। তাই এ অফুরন্ত সম্পদের মাঝে যতটুকু আমাদের  আয়ত্বে এসেছে তা ব্যবহার করতে হবে পরিকল্পিতভাবে, পরিমিত ভাবে। বিশেষ করে  আমাদের চাহিদা অনুযায়ী সম্পদকে ব্যবহার উপযোগী করে সরবরাহ করা পুরোপুরি  সম্ভব নয়। তাই সবার পক্ষে সম্পদ সমানভাবে ভোগ করাও সম্ভব হচ্ছে না, বিরাট  একটি জনগোষ্ঠীকে চরম অভাবের মাঝে থাকতে হচ্ছে, যদিও অপরিকল্পিত ব্যবহারের  ফলে ক্ষুদ্র একটি অংশ ব্যবহার উপযোগী বিপুল পরিমাণ সম্পদ অপচয় করছে।</p><p>যান্ত্রিক পৃথিবী। শিল্প-কল কারখানার চাকায় ভর করে ছুটে চলেছে পৃথিবী।  আর  এ চাকা সচল রাখতে চাই অফুরন্ত শক্তি। সে শক্তির যোগান দিচ্ছে খনিজ  সম্পদ। শক্তি উৎপাদনে <a
href="http://en.wikipedia.org/wiki/File:World_energy_usage_width_chart.svg" target="_blank">৩৭% তেল, ২৫% কয়লা, ২৩% গ্যাস এবং ৬% ইউরেনিয়াম ব্যবহৃত  হচ্ছে, বাকী ৯% </a>অন্যান্যা উৎস থেকে শক্তি উৎপন্ন হয়। ইতোমধ্যেই জীবাষ্ম  জ্বালানীর যতটুকু আমাদের আয়ত্বে এসেছে তার মজুদ ফুরিয়ে যাচ্ছে, ইউরেনিয়াম  আগামী ৭০ বছরের মাঝে নিঃশেষ হয়ে যাবে বলে শংকা বিজ্ঞানীদের। তাহলে যে ৯১%  শক্তি আমরা খনি থেকে পাই তা যদি শেষ হতে থাকে তাহলে অদূর ভবিষ্যতে দরিদ্র  দেশগুলোর শক্তি উৎপাদনের কোন সুযোগই থাকবে বলে মনে হয় না, যেহেতু সরবরাহ  কমার সাথে সাথে এর দাম দরিদ্র দেশ গুলোর নাগালের বাইরে চলে যাবে।</p><p>বাংলাদেশ স্বল্পউন্নত দেশগুলোর একটি। অথর্নৈতিকভাবে দেশের মেরুদন্ড সোজা  হয়নি এখনো। পুরোপুরি বাইরের দেশের প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল এ দেশ। দরিদ্র  হলেও বিলাসী জীবন যাপনে অভ্যস্ত এ দেশের মানুষ। নতুন মডেলের কোন গাড়ী তৈরী  হলে ভারতেরও আগে বাংলাদেশের রাস্তায় চলে সে গাড়ী। ধনী শ্রেণীর অনেকেই  একাধিক গাড়ীর মালিক। অথচ এ দেশটি দিনের পর দিন বিভিন্ন সমস্যায় ধুকছে। এ  সমস্যাগুলোর মাঝে বিদ্যুত সমস্যাই প্রধান। বিদ্যুত সমস্যা মোকাবেলায়  যুগপোযোগী কার্যকর পদক্ষেপের পরিবর্তে এদেশে চালু করা হয়েছে লোডশেডিং নামের  ভূতুড়ে যন্ত্রণা। দিনে দিনে এর প্রকোপ বাড়ছে, কোথাও কোথাও দিনে ১৮ ঘন্টারও  বেশী সময় লোডশেডিং চলে। অথচ এ দেশে যদি সচেতনভাবে পরিকল্পনা নেয়া হয় তবে  বিদ্যুত সমস্যাকে সহজেই মোকাবেলা করা সম্ভব।</p><p>বিদ্যুত সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যেই দেশের উচ্চবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত   শ্রেণীর নাগরিকেরা বিদ্যুত সংরক্ষণের পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। আইপিএস নামের এ   পদ্ধতির ফলে বিদ্যুত সমস্যার সমাধানতো হচ্ছেই না বরং তা আরো প্রকট আকার   ধারণ করছে। ফলে নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্তের নাগরিকেরা, যাদের সংখ্যাই   সমাজে বেশী, তারা চরমভাবে বঞ্চিত হচ্ছে বিদ্যুত সুবিধা থেকে। এদিকে  জীবাষ্ম  জ্বালানীর উর্ধ্বমুখী দামের কারণে বাংলাদেশের রাস্তাঘাট ছেয়ে গেছে  লক্ষ লক্ষ  ইজি বাইক। চলছে বৈদ্যুতিক চার্জে। ফলে মরার উপরে খাড়ার ঘায়ের  মতো বিদ্যুত  সংকট আরো ঘনীভূত হচ্ছে এদেশে। আবার দেশের আনাচে কানাচে গড়ে  ওঠা হাজার  হাজার মোবাইল টাওয়ার প্রচুর পরিমাণে বিদ্যুত হজম করছে। ফলে  শিল্প কারখানার  চেয়ে সেবাখাতেই বিদ্যুতের ব্যবহার বেশী বেড়ে যাচ্ছে।</p><p>বাংলাদেশের বিদ্যুত কেন্দ্রগুলো চলে মূলত জীবাষ্ম জ্বালানী দিয়ে।  বিভিন্ন সময় সরকার দাবী করছে যে ভর্তুকি দিয়ে তারা এসব বিদ্যুত কেন্দ্রগুলো  চালাচ্ছে। অথচ জীবাষ্ম জ্বালানীর বিকল্প অন্য কোন পদ্ধতিতে এ দেশে  বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে তেমন গবেষণা বা চেষ্টা নেই। বাংলাদেশে একটি মাত্র  জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র যা তৈরীতে একটি শহরকেই পানির নীচে ডোবাতে হয়েছে, ১৮  হাজার পরিবারকে গৃহহারা করতে হয়েছে। তাই নতুন করে আর কোন জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র  তৈরীর সুযোগ বাংলাদেশে আছে বলে মনে হয় না, যদিও অনেকটাই সাশ্রয়ী এবং  পরিবেশ বান্ধব এ পদ্ধতি।</p><p>ইতোমধ্যেই <a
href="http://news.bbc.co.uk/2/hi/8607149.stm" target="_blank">সৌরবিমান</a> সফলভাবে উড্ডন করেছে, ২০১২ সালের মাঝে তা  পুরো বিশ্বকে পরিভ্রমন করতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। আকাশের পাশাপাশি  জলেও সাফল্য পেয়েছে <a
href="http://www.reinforcedplastics.com/view/8945/solar-boat-launched/" target="_blank">সৌরতরী</a>। আগামী বছর ৫০ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিচ্ছে  এটি, সময় নেবে মাত্র ১৬০ দিন। বিশ্বব্যাপী চলছে সৌরগাড়ীর মহরা, এমনকি  পার্শ্ববর্তী দেশে <a
href="http://news.oneindia.in/2010/04/30/punjabengineering-students-build-a-car-that-will-run-ons.html" target="_blank">পাঞ্জারের ছাত্ররাও তৈরী করেছে সৌরগাড়ী</a> যা ঘন্টা   ৪০-৪৫ কিলোমিটার চলতে সক্ষম। তাহলে দেখা যাচ্ছে শুধুমাত্র সৌরবিদ্যুতের  দিকেই যদি আমরা আমাদের মেধাকে কাজে লাগাই, গবেষণা করি, সৌরবিদ্যুত চালিত  যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি তবে অনেকাংশেই দেশের বিদ্যুত সমস্যার সমাধান সম্ভব।</p><p>আশার কথা বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই সৌরবিদ্যুত ব্যবহারে আগ্রহ বাড়ছে। <a
href="http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/18/27860" target="_blank">সৌরবিদ্যুতের আলোতে আলোকিত হচ্ছে গ্রাম</a>, কোথাও কোথাও <a
href="http://ns1.prothom-alo.com/detail/news/3665" target="_blank">সৌরবিদ্যুতে  চলছে পানিরপাম্প</a>। <a
href="http://74.53.66.2/detail/date/2010-04-10/news/55365" target="_blank">বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে</a> সৌরবিদ্যুতায়ন করা  হয়েছে।পাশ্বর্বর্তী দেশ ভারতের অধিকাংশ রাজ্যে ট্রাফিক বাতি জ্বলে  সৌরবিদ্যুতে, ‌উদ্যোগ নিলে এ দেশেও তা সম্ভব। শুধু দরকার সরকারী সিদ্ধান্ত  এবং তা বাস্তবায়নের সদিচ্ছা। এ সিদ্ধান্ত নেয়া একান্ত প্রয়োজন যে জীবাষ্ম  জ্বালানী দিয়ে উৎপাদিত বিদ্যুত শিল্প কারখানায়ই ব্যবহৃত হবে যতদিন না শিল্প  কারখানা চালানোর মতো পরিবেশ বান্ধব বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা যায়।  ভারী শিল্পকারখানা বাদে বাকী সব কিছুই দ্রুত সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনা জরুরী।</p><p>প্রতিটি বাড়ীতেই দুটি ফ্যান, দুটি বাতি আর একটি টেলিভিশন চালানোর মতো  সৌর বিদ্যুত ব্যবহারের যন্ত্রপাতি কিনতে উদ্বুদ্ধ করা উচিত। আর এ ক্ষেত্রে  সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা একান্ত জরুরী। তবে প্রথম পর্যায়ে সকল  সরকারী অফিস আদালতকে সৌর বিদ্যুতের আওতায় আনা প্রয়োজন। অন্তত ২৫% সৌর  বিদ্যুত ব্যবহারে সকল সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্বশাসিত, বেসরকারী তথা সকল  প্রতিষ্ঠানকেই বাধ্য করা উচিত। যারা উচ্চবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত তাদের বাড়ীতে  সৌরবিদ্যুতায়ন বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। বড় বড় শহরে যাদের নিজস্ব বাড়ী আছে  তাদেরকে যদি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহারে বাধ্য করা যায় তবে সহসাই বিদ্যুৎ  সমস্যার আশানুরূপ উন্নতি সম্ভব।</p><p>শোনা যায় সরকার বিদ্যুত খাতে ভর্তুকি দেয়। ভর্তুকি দিয়ে বিত্তবানদের  বিদ্যুত সরবরাহ করে বিলাসী জীবন যাপনে অনুদান দেয়া ন্যায় সঙ্গত নয়। যারা  বিত্তবান তারা যদি ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে সরকারের কাছে হাত পাতে তবে তা বড়ই  লজ্জার। যারা বিত্তবান (যাদের বাসায় অন্তত একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র  আছে) তাদেরকে অবশ্যই চিহ্নিত করা প্রয়োজন, তাদের কাছ থেকে বিদ্যুত  ব্যবহারের জন্য প্রকৃত বিক্রয়মূল্য গ্রহণ করতে হবে, তাদের পেছনে যে ভর্তুকি  দেয়া হত তা সাধারণের সৌর প্যানেল কেনার কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে।</p><p>বাংলাদেশের মানুষ ঋণ করে ঘি খেতে অভ্যস্ত। যিনি দুবেলা দুমুঠো খেতে  পারেন না, তার হাতেও শোভা পায় মোবাইল, প্রতি মাসে কম করে হলেও তিনশত টাকার  স্ক্রাচকার্ড ব্যবহার করেন এরা। বাংলাদেশে যে ৫ কোটি মানুষ মোবাইল ব্যবহার  করেন তাদেরকে সোলার মোবাইল সেট কিনতে উৎসাহিত করা উচিত। আফ্রিকার অতি  দরিদ্র দেশ কেনিয়ায়ও <a
href="http://www.africanews.com/site/New_solar_phones_for_Kenyan_market/list_messages/26652" target="_blank">সৌরবিদ্যুত চালিত মোবাইল ফোন</a> ব্যবহৃত হচ্ছে, অথচ  বাংলাদেশে তেমন কোন সেট অন্তত আমার পরিচিত কারো হাতে দেখিনি। পাশাপাশি  শুধুমাত্র সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে মোবাইল টাওয়ারে শক্তি সরবরাহে বাধ্য করা  উচিত মোবাইল কোম্পানীগুলোকে, প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা তারা বিজ্ঞাপনে যে  টাকা খরচ করে তা থেকে অল্প কিছু এ খাতে ব্যবহার করলেই টাওয়াগুলো  সৌরবিদ্যুতায়ন সম্ভব। গৃহস্তালি বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যা সৌরবিদ্যুতে চালানো  সম্ভব তা উৎপাদন ও বিপপন শুরু করতে হবে। <a
href="http://www.physorg.com/news134395495.html" target="_blank">সৌর  বিদ্যুতে চলতে সক্ষম এমন টিভিও</a> বিভিন্ন দেশে পাওয়া যাচ্ছে, এ দেশেও এর  ব্যবহার বাড়াতে হবে।</p><p>মোটকথা, পরিবেশ বিপর্যয় থেকে দেশকে রক্ষা করতে, দেশের মানুষকে  লোডশেডিংএর অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচাতে সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলন শুরু করতে হবে।  সৌর বিদ্যুৎ চালিত মটরসাইকেল, গাড়ী, নৌকা, টিভি, মোবাইলসেট প্রভৃতি  উৎপাদনে ব্যাপক গবেষণা চালাতে হবে। এ ক্ষেত্রে দেশী বিদেশী উদোক্তা ও  বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে হবে। আর এ কাজটি শুধু সরকারের আশায় বসে থাকলে  হবে না, যার যতটুকু সামর্থ আছে তা দিয়েই সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়তে  হবে। আর সর্বাগ্রে নিজেদেরকে শোধরাতে হবে, অপচয় রোধ করতে হবে, বিলাসী জীবন  যাপনের চেয়ে অন্যের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। স্বনির্ভর  বাংলাদেশ গড়তে সৌরবিদ্যুৎ আন্দোলন হোক নতুন প্রজন্মের আরেক মুক্তিযুদ্ধ।</p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=72&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/72.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>আস্থার মিনার ভেঙ্গে ভেঙ্গে যায়</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/71.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/71.html#comments</comments> <pubDate>Fri, 30 Apr 2010 13:35:04 +0000</pubDate> <dc:creator>ধানসিঁড়ি</dc:creator> <category><![CDATA[জীবন যাপন]]></category> <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category> <category><![CDATA[সংবাদ]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/post-item/71.html</guid> <description><![CDATA[আস্থার মিনারগুলো একে একে ভেঙ্গে ভেঙ্গে যায়। অর্থ আর প্রতিপত্তির পাহাড়ে চাপা পড়ে ছটফটিয়ে মরে বিশ্বাস। বিশ্বাস যেন শুধু বিশ্বাসঘাতকতারই হাতিয়ার। কারো প্রতি কোন দায়বদ্ধতা নেই, নেই মানবতা, নেই ভালোবাসা, চারিদিকে শুধুই স্বার্থপরতার দূর্ভেদ্য দেয়াল। এমন মা-বাবা কজন আছেন যারা সন্তানকে নিয়ে সুখস্বপ্নের জাল বোনেন না। বাবা-মা স্বপ্ন দেখেন নামকরা ভবিষ্যত ডাক্তারের, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>আস্থার মিনারগুলো একে একে ভেঙ্গে ভেঙ্গে যায়। অর্থ আর প্রতিপত্তির  পাহাড়ে চাপা পড়ে ছটফটিয়ে মরে বিশ্বাস। বিশ্বাস যেন শুধু বিশ্বাসঘাতকতারই  হাতিয়ার। কারো প্রতি কোন দায়বদ্ধতা নেই, নেই মানবতা, নেই ভালোবাসা,  চারিদিকে শুধুই স্বার্থপরতার দূর্ভেদ্য দেয়াল।<br
/> এমন মা-বাবা কজন আছেন যারা সন্তানকে নিয়ে সুখস্বপ্নের জাল বোনেন না।  বাবা-মা স্বপ্ন দেখেন নামকরা ভবিষ্যত ডাক্তারের, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে  ছড়িয়ে আছে যার সুনাম, যার মিষ্টি মুখের দর্শনে অনেকটাই সুস্থবোধ করে  মৃত্যুপথযাত্রী কোমার রোগী।<br
/> হ্যা, এমন একটা দিন ছিল যখন ডাক্তারি পেশাকে সম্মানের চোখে দেখা হতো,  ডাক্তারের সামনে শ্রদ্ধায় প্রাণ বিগলিত হতো, ইশ্বরের দূত হিসেবেই অনেকে  জ্ঞান করতেন ডাক্তার সমাজকে। অথচ আজ ডাক্তার শব্দের সাথে শ্রদ্ধার যেন  প্রচন্ড বিরোধ, ডাক্তার শব্দের পাশে বিশেষণ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে  অমানুষ, কসাই, ডাকাত, রক্তচোষা প্রভৃতি ভয়ংকর শব্দ।<br
/> মাঝে মাঝেই সংবাদ বেরোয় অপারেশন শেষে গজ, তুলো, ছুড়ি, কাঁচি পেটের ভেতর  রেখেই সেলাই করে দিচ্ছে অসতর্ক ডাক্তার, দীর্ঘদিন মৃত্যুযন্ত্রণায় ভুগে  হয়তো এক্সরেতে ধরা পরে পেটের মাঝে লুকিয়ে থাকা কাচির অস্তিত্ব। নিস্তার  মেলে না রোগীর, প্রচন্ড অবিশ্বাস আর উদ্বেগ নিয়ে পেটটি আবারো সমর্পন করতে  হয় অন্য কোন ডাক্তারের ছুড়ির কাছে।</p><p>অপারেশনের দুই বছর পর চৌগাছার শাহনাজ জানলেন তার একটি কিডনী নেই।   কিডনীটি অপসারণ করা হয়েছে তার অনুমোদন ছাড়াই,  অবৈধভাবে <a
href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-04-27/news/59374" target="_blank">বিক্রি করে দিতেই চুপিসারে কিডনী অপসারণ করেছে ডাক্তার</a>,  দাবী শাহনাজের। তার এ দাবী একেবারে উড়িয়ে দেয়ার সাধ্য কি আছে কারো? বিশেষ  করে ডাক্তাররা একের পর এক এমন সব অপরাধে জড়িয়ে পড়ছেন যে অনায়াসেই তাদেরকে  কিডনীর অবৈধ ব্যবসার সাথে জড়িত বলে সন্দেহ করা যায়। অনেকেই জানেন, শিশু  পাচারের উদ্দেশ্যের মধ্যে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বিক্রি অন্যতম। আর বলাই  বাহুল্য যে এসব কাজের সাথে ডাক্তারদের একটি নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে, বিশেষ করে  ডাক্তারী বিদ্যা ছাড়া কিডনী কিংবা চোখ অপসারণ করা অসম্ভব। তাহলে যে  ডাক্তারের কাছে মানুষ ছুটে যায় রোগমুক্তির আশায়, তারাই যদি আজরাইলের  দায়িত্ব কাধে তুল নেয়, তাহলে সাধারণ মানুষের দাড়ানোর জায়গা কোথায়?</p><p>কয়েকদিন আগে এই রাজধানী ঢাকার মালিবাগেই সিটি ডেন্টাল কলেজের শিক্ষানবিশ  দাতের ডাক্তাররা জনতার ঘেরাওয়ের শিকার হন। কলেজের আশপাশ থেকে পশ শিশুদের  ধরে ধরে, <a
href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-04-05/news/54361" target="_blank">লোভনীয় খাবারের ফাঁদে ফেলে দাত তুলে নিয়মিত প্রাকটিস  চালাতো ওরা।</a> কারো অনুমোদনের তোয়াক্তা নেই, ভালো দাত, নষ্ট দাতের হিসেব  নেই, ধরে ধরে দাত তুলে প্রাকটিশ যারা করতে জানে, কর্মক্ষেত্রে তারা কতটা  নির্মম হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়। বিশেষ করে শিশুদের প্রতি যাদের ন্যূনতম  মমতা নেই তাদের পক্ষে অনৈতিক কোন কাজই করা অসম্ভব নয়।</p><p>অর্থের পিছে পাগলা ঘৌড়ার মতো ছুটছে ডাক্তার সমাজ। তাই কখনো কখনো  ডাক্তারদের প্রেসক্রিপশনে স্থান পায় ট্যাবলেট ক্যাপস্যুলের পরিবর্তে রড  সিমেন্টের পরিমাণ। হয়তো বাচ্চাদের জন্য লিখে দেয়া হয় বড়দের ওষুধ।  ডাক্তারদের অমন খামখেয়ালীর শিকার আমি নিজেও, শিকার আমার শিশু সন্তান। তাই  অসুধ বিসুখ যদি মাত্রা না ছাড়ায় তবে এখন আর আমি ডাক্তারের শরনাপন্ন হই না,  নিজের শরীরে প্রতি প্রতটুকু আস্থা আছে যে ছোটখাটো বিপদকে সে নিজেই প্রতিরোধ  করতে হয়তো সক্ষম হবে।</p><p>ইদানিং স্বাভাবিক প্রজনন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সিজার ছাড়া সন্তান ভূমিষ্ট  করা যেন মহাপাপ। স্বাভাবিক একটি সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখাতে ডাক্তারকে  হয়তো ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হতে হয়, অত সময় ডাক্তারদের কোথায়? দিনে  অন্তত এক ডজন অপারেশন করে গিনিজ বুকে নাম লেখাতেই তৎপর ডাক্তাররা। আর যতত  সিজার, তত কাঁচা পয়সা। আমার স্ত্রীর সিজার হলো দুপুরে। এর আগে ডাক্তার আরো  চারটি সিজার করেছেন, দুপুরের খাওয়ার সময় হয়ে গেছে। ডাক্তারের স্বামী  এনেস্থেসিয়া স্পেশালিস্ট, তারপরও তাড়াহুড়ো করে ডাক্তার দম্পতি অপারেশন  করলেন। পুরোপুরি অচেতন হওয়ার আগেই অপারেশন হলো, ভীতিকর একটি মৃত্যুযন্ত্রণা  সয়ে প্রথম সন্তানের জননী হলো আমার স্ত্রী। সেদিন থেকেই দ্বিতীয় সন্তান  নেয়ার ব্যাপারে জোড় আপত্তি তার। জেনেশুনে মৃত্যুর মুখে দু’বার কে পড়তে চায়  বলুন। আমার কেন যেন সন্দেহ হয় শুধুমাত্র টাকার জন্য ডাক্তাররা সিজার করেন  তা বোধহয় সত্যি নয়, টাকা প্রধান কারণ অবশ্যই। তবে আমার মনে হয় সরকারের পক্ষ  থেকেও সিজার করার ব্যাপারে কোন নির্দেশনা আছে। সিজার করলে দু’টোর বেশি  সন্তান নেয়া যায় না এমন একটি ধারণা সাধারণের মাঝে ব্যাপকভাবে প্রচলিত, তাই  সিজারের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য সিজার করতে ডাক্তারদের  নির্দেশ দেয়া হয় কিনা তা জানা দরকার।</p><p>ডাক্তারদের সম্পর্কে আরেকটি অভিযোগ, তারা স্পষ্ট করে প্রেসক্রিপশন লেখেন  না। যে যত বড় ডাক্তার তার হাতের লেখা ততটাই দূর্বোধ্য হবে এটাই যেন নিয়ম।  ডাক্তারী প্যাঁচ শব্দটি তাদের এই দূর্ভোদ্য শব্দ লিখন থেকেই উৎপত্তি।  ডাক্তারী প্রেশক্রিপশন নিয়ে যে ডিস্পেন্সারীতে ওষুধ কিনতে যাই সেখানে হয়তো  বসে থাকে অর্ধশিক্ষিত কোন ব্যবসায়ী, তারপক্ষে হায়ারোগ্লিফিক্স কতটুকু  পাঠোদ্ধার করা সম্ভব তা আমার বোধগম্য নয়, তবুও তারাই একমাত্র ভরসা। অথচ  দেশের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্ররাই ডাক্তারী পেশাকে বেছে নেয়, কিংবা বলা যায়  বেছে নেয়ার সুযোগ পায়। ভালো ছাত্রদের হাতের লেখা ভালো হওয়াই স্বাভাবিক,  তবুও নিছক খেয়ালের বশেই কি তারা দূর্ভোধ্য ভাষায় প্রেশক্রিপশন লেখেন নাকি  প্রেশক্রিপশনে লেখা ভুল ওষুধ খেয়ে কারো জীবনাবসান হলে প্রেশক্রিপশনের  ওষুধের নাম পরিবর্তনের সুযোগ রাখতেই এ চেষ্টা, আল্লাহই ভালো জানেন।</p><p>যদি প্রশ্ন করি, কোন পেশার লোকেরা সম্মানের সাথে ঘুষ খায়? অনেকেই হয়তো  মন্ত্রী আমলাদের কথা ভাববেন। ঘুষকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন ডাক্তার  সমাজ। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক রূপদানই নয় বরং একে সামাজিকভাবে মর্যাদাও দিয়েছে।  দেশের এমন একজন ডাক্তারও পাওয়া যাবে কি না সন্দেহ, যারা বিভিন্ন ওষুধ  কোম্পানীর কাছ থেকে নিয়মিত ঘুষ নেন না। ডাক্তারের বাসার বাসন কোসন, ওভেন,  সোফা, খাট পালঙ্ক, টিভি, ফ্রিজ, গাড়ী, এপার্টমেন্ট, প্লেনের টিকেট, মোট কথা  এমন কোন ব্যবহার্য বস্তু নেই যা ডাক্তারদেরকে ঘুষ হিসেবে ওষুধ কোম্পানী  উপহার দেয় না। আমার পরিচিত এক মেডিকেল রেপ্রেজেন্টাটিভের কাছ থেকেই জানতে  পারি তারা শুধু আসবাবপত্র দিয়েই ক্ষ্যান্ত হন না বরং ডাক্তারদেরকে  প্রতিমাসে নির্দিষ্ট অংকের নগদ টাকাও ঘুষ হিসেবে দিয়ে থাকে। অবশ্য এ  ক্ষেত্রে শ্রেণীভেদ আছে, সব ডাক্তার সমান পরিমানে ঘুষ পান না, মর্যাদা  অনুযায়ী ঘুষ তারা পেয়ে থাকেন।</p><p>আমি একথা কিছুতেই বুঝতে পারি না যে দেশের সবচেয়ে মেধাবী যে ছাত্ররা  ডাক্তার হচ্ছেন, তাদেরকে ওষুধের গুণাগুণ শেখায় সাধারণ ছাত্ররা, ওষুধ  কোম্পানীর রিপ্রেজেন্টাটিভরা। এমআররা ডাক্তারদেরকে ঘুষ দিয়ে এতটাই পোষ  মানিয়ে নেন যে প্রয়োজন হোক বা নাই হোক অবশ্যই কিছু ওষুধ তারা ধরিয়ে দেবেন  এমআরদের খুশী করার জন্য। ডাক্তারদের কাছ থেকে বের হলেই রোগীকে ছেকে ধরে  এমআরের দল, কি ওষুধ প্রেসক্রাইব করলেন ডাক্তার ঠিকই দেখে নেয় ওরা, লেদদেনের  হিসেবটা মেলাতে ওরা ওস্তাদ।</p><p>চিকিৎসা সেবা একটি মৌলিক অধিকার। ডাক্তাররা সে সেবাকে পণ্যে পরিণত  করেছেন। টাকা ছাড়া চিকিৎসার সুযোগ নেই, সরকারী ওষুধও পাওয়া যায় না বিনে  পয়সায়, অথচ টাকা হলেই মেলে পাশের ফার্মেসীতে। হাচি, কাশি যে কোন রোগেই গাদা  গাদা টেস্টের পাহাড়ে চাপা পড়ে রোগীরা অকালে চলে যায় পরপারে। শুধুমাত্র  প্যাথলজিগুলো থেকে কড়া হারে কমিশন খেতে চাপিয়ে দেয়া হয় পরীক্ষা নীরিক্ষার  বোঝা। ক্লিনিকের রমরমা ব্যবসার ফাঁদে আটকে গেছে দেশের চিকিৎসার ব্যবস্থা।</p><p>এর কি কোন সমাধান নেই? অসৎ ডাক্তারদের হাত থেকে, অর্থলোভী অমানুষদের হাত  থেকে কি কিছুতেই নিস্তার নেই সাধারণ মানুষের? আমরা ডাক্তারের ছদ্মবেশে  আজরাইলের হাতে মরতে চাই না, আমরা স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই।</p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=71&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/71.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>প্রাকৃতিক দুর্যোগ ভূমিকম্প নিয়ে নানা তথ্য</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/69.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/69.html#comments</comments> <pubDate>Sun, 25 Apr 2010 15:58:20 +0000</pubDate> <dc:creator>পালাবদল</dc:creator> <category><![CDATA[বিজ্ঞান]]></category> <category><![CDATA[প্রাকৃতিক দূর্যোগ]]></category> <category><![CDATA[ভূমিকম্প]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/?p=69</guid> <description><![CDATA[পৃথিবীতে বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে চলেছে৷ কিন্তু এসবের মধ্যে ভুমিকম্পই হচ্ছে সবচেয়ে ভয়াবহ৷ কারণ এর ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে অনেক বেশি৷ মাটির নীচ থেকে হঠাৎ করেই যেন কেঁপে ওঠে গোটা পৃথিবী৷ লন্ডভন্ড করে দেয় পুরো এলাকা৷ ভুমিকম্প কেন হয়ে থাকে? বিশেষজ্ঞদের মতে গোটা ভূপৃষ্ঠই কয়েকটি স্তরে বিভক্ত৷ আবার প্রতিটি [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<h4>পৃথিবীতে বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে চলেছে৷  কিন্তু এসবের মধ্যে ভুমিকম্পই হচ্ছে সবচেয়ে ভয়াবহ৷ কারণ এর ধ্বংসাত্মক  ক্ষমতা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে অনেক বেশি৷</h4><p>মাটির নীচ থেকে হঠাৎ করেই যেন কেঁপে ওঠে গোটা পৃথিবী৷ লন্ডভন্ড করে  দেয় পুরো এলাকা৷</p><p>ভুমিকম্প কেন হয়ে থাকে? বিশেষজ্ঞদের মতে গোটা ভূপৃষ্ঠই কয়েকটি স্তরে  বিভক্ত৷ আবার প্রতিটি স্তর একাধিক প্লেটে বিভক্ত৷ এসব বিশাল আকারের  টেকটোনিক প্লেটগুলো যখন একের সঙ্গে অপরে ধাক্কা খায় তখন কেঁপে ওঠে মাটির  নীচের তলদেশ৷ আর আমরা ভূপৃষ্ঠের ওপর ভূকম্পন অনুভুত করি৷ ভূমিকম্পের কারণ  নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.  মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, ‘ভূপৃষ্ঠের উপরের স্তরে অনেকগুলো প্লেট আছে  এগুলো আবার অনেকগুলো সাবপ্লেটে বিভক্ত৷ এগুলো সবসময় নড়াচড়া করছে৷ একটার  সঙ্গে আরেকটার ঘর্ষণে এই ভুকম্পনের সৃষ্টি হয়৷ আবার আগ্নেয়গিরির কারণে ভূ  অভ্যন্তরের ভেতর থেকেও ভুকম্পনের সৃষ্টি হয়ে থাকে৷ আবার কোন কোন এলাকায়  ভূপৃষ্ঠের গভীর থেকে অতিরিক্ত পানি কিংবা তেল ওঠানোর ফলে ভূপৃষ্ঠের  অবস্থানের তারতম্য ঘটে৷&#8217;<span
id="more-69"></span></p><p><strong>আগে থেকে বোঝার উপায় নেই</strong></p><p>অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের বেলায় আগে থেকে বোঝা গেলেও ভূমিকম্প এই  ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম৷ খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঘটে যায় এই বিশাল দুর্যোগ, যার  ফলে পুর্ব সতর্কতা নেয়া সম্ভব হয় না৷ এর ফলে ক্ষয়ক্ষতিও হয়ে থাকে অন্যান্য  প্রাকৃতিক দুর্যোগের চেয়ে বেশি৷ কিন্তু কেন এমনটি হয়ে থাকে? জানতে  চেয়েছিলাম ভু তাত্ত্বিক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতারের কাছে৷ তিনি বলেন, ‘আমরা  দেখেছি যে প্লেটগুলো সবসময়ই ছয় থেকে নয় সেন্টিমিটার করে নড়াচড়া করছে এবং এর  ফলে ভূত্বকের ভেতরে প্রবল শক্তি জমা হচ্ছে৷ এই শক্তি যখন ভূত্বকের ভেতরের  ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি হয়ে যায় তখন হঠাৎ করে এর বিস্ফোরণ ঘটে যার ফলে আগে  থেকে পুর্বাভাষ দেওয়া সম্ভব হয় না৷&#8217;<em>Bildunterschrift:  ২০০৫ সালে পাকিস্তানের বালাকোটে ঘটে যাওয়া ভূমিকম্পের দৃশ্য</em></p><p><strong>পূর্ব সতর্কতা কি সম্ভব? </strong></p><p>বিজ্ঞানীদের মতে ভূমিকম্প যখন সৃষ্ট হয় তখন ভূত্বকের ভেতর তিন ধরণের  ওয়েভ বা ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়৷ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল থেকে যে কম্পনের ঢেউ  সৃষ্টি হয় তাকে বলে প্রাইমারি ওয়েভ বা পি ওয়েভ৷ এটি সবচেয়ে দ্রুত গতিতে  ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশে৷ এরপর দ্বিতীয় পর্যায়ে আরেকটি ওয়েভ বা ঢেউ সৃষ্টি হয়,  সর্বশেষ সারফেস ওয়েভটি গিয়ে আঘাত হানে ভূপৃষ্ঠে৷ এবং এটিই আমরা বুঝতে পারি  যাকে আমরা ভুমিকম্প বলে থাকি৷ উৎপত্তিস্থল থেকে ভূপৃষ্ঠে আসতে ভূমিকম্পের  সময় লাগে ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ডের মত৷ বিশেষজ্ঞরা এই মাঝখানের সময়টাকেই  চিহ্নিত করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন যাতে করে আগে থেকেই ভুমিকম্পের  পুর্বাভাষ দেওয়া সম্ভব হয়, জানালেন ড. হুমায়ুন আখতার৷</p><p><strong>রিখটার স্কেল</strong></p><p>বিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিদিনই ভূপৃষ্ঠের ভেতরে কোথাও না কোথাও ভূমিকম্পের  সৃষ্টি হচ্ছে৷ তবে সবগুলো অত জোরালো নয়৷ ভূমিকম্পের মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠে জমে  থাকা শক্তি নির্গত হয়৷ এই শক্তিকে মাপা হয় রিখটার স্কেলের মাধ্যমে৷ সাধারণত  ভূমিকম্পকে ১ থেকে ১২ মাত্রা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়৷ ৩ থেকে ৪ মাত্রার  ভূমিকম্প বোঝা গেলেও ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয় না৷ তবে ৫ কিংবা ৬ পর্যন্ত পৌঁছে  গেলেই সেগুলোকে উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে ধরা হয়৷ রিখটার স্কেলের এক  মাত্রা পার্থক্যের অর্থ হচ্ছে আগেরটির চেয়ে পরেরটি ভূত্বকের ভেতর ৩২ গুন  বেশি শক্তিশালী৷ তবে ভূপৃষ্ঠে এই তীব্রতার পরিমাণ হয় ১০গুন বেশি৷<a
href="http://www.dw-world.de/popups/popup_lupe/0,,4822813_ind_2,00.html" target="_blank"></a><em>Bildunterschrift: <a
href="http://www.dw-world.de/popups/popup_lupe/0,,4822813_ind_2,00.html" target="_blank">Großansicht des Bildes  mit der Bildunterschrift:  রিখটার  স্কেলে ভূমিকম্পের চিত্র</a></em></p><p><strong>ভূমির জন্য ক্ষয়ক্ষতির তারতম্য</strong></p><p>ভূমিকম্পের ভয়াবহতা কিন্তু সব জায়গায় একরকম নয়৷ এটি নির্ভর করে  সংশ্লিষ্ট জায়গাটি ভূপৃষ্ঠের টেকটোনিক প্লেটগুলোর কোনখানে অবস্থিত তার ওপর৷  টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংযোগস্থলগুলোতেই ভূমিকম্পের প্রচন্ডতা থাকে সবচেয়ে  বেশি৷ তাই এসব জায়গায় ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে অন্যজায়গার তুলনায়  বেশি৷ এই ব্যাপারে ড. হুমায়ুন আখতার বলেন, ‘যদি ঢাকা শহরের ৫০ কিলোমিটারের  মধ্যে পাঁচ থেকে সাড়ে পাঁচ মাত্রার ভূমিকম্প হয় তাহলে ভূপৃষ্ঠে যে পরিমাণ  কম্পনের সৃষ্টি হবে তাতে নীচু ভবনগুলো ধ্বংস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি৷ আর যদি  তিন চারশ কিলোমিটার দুরে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয় তাহলে এর ফলে দূর থেকে  লংওয়েভের ধাক্কা লাগবে এবং এর তীব্রতায় ভিন্ন ধরণের কম্পন সৃষ্টি হবে এবং  উঁচু ভবনগুলো ধ্বংস হয়ে যাবে তবে নীচু ভবনগুলো টিকে থাকবে৷&#8217;</p><p><strong>ঝুঁকির মধ্যে বাংলাদেশ</strong></p><p>বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চলের  মধ্যে পড়েছে৷ বাংলাদেশের একাংশের নীচে দিয়ে টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থল  গিয়েছে৷ এই প্লেটের নড়াচড়ার কারণে প্রতি এক হাজার বছরে বাংলাদেশ তিন থেকে  ১৫ মিটার করে সংকুচিত হচ্ছে৷ এই সংকোচনের ফলে ভূঅভ্যন্তরে প্রবল শক্তি জমা  হচ্ছে৷ জমে থাকা এই শক্তি যে কোন সময় শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে বের হয়ে  আসতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশংকা করছেন৷ ঘনবসতি দেশ হওয়ার কারণে বাংলাদেশে  ভুমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও অনেক বেশি হবে বলে তাদের আশংকা৷</p><p><a
href="http://www.dw-world.de/popups/popup_printcontent/0,,4822813,00.html" target="_blank">তথ্য সূত্র</a></p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=69&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/69.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>ইসলাম ধর্ম, চিত্ত বিনোদন ও আনন্দ</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/66.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/66.html#comments</comments> <pubDate>Sun, 25 Apr 2010 15:45:51 +0000</pubDate> <dc:creator>পালাবদল</dc:creator> <category><![CDATA[বিনোদন]]></category> <category><![CDATA[আনন্দ]]></category> <category><![CDATA[ইসলাম]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/?p=66</guid> <description><![CDATA[প্রাত্যহিক জীবনে মানুষ নানা কাজে ব্যস্ততা এবং বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের কারণে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কর্মক্লান্ত মানুষের আত্মিক সজীবতার জন্য প্রয়োজন বিশ্রাম ও বিনোদন। মানুষের শরীরের জন্য যেমন বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ও ভিটামিন জরুরী তেমনি তার আত্মার জন্যও বিনোদন, বিশ্রাম ও খাদ্য জরুরী। আনন্দ ও চিত্ত বিনোদন মানুষের মধ্যে হতাশা ও ব্যর্থতার গ্লানিসহ অন্যান্য নেতিবাচক অনুভূতিকে মন [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>প্রাত্যহিক জীবনে মানুষ নানা কাজে ব্যস্ততা এবং বিভিন্ন  ঘাত-প্রতিঘাতের কারণে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কর্মক্লান্ত মানুষের আত্মিক  সজীবতার জন্য প্রয়োজন বিশ্রাম ও বিনোদন। মানুষের শরীরের জন্য যেমন বিভিন্ন  ধরনের খাদ্য ও ভিটামিন জরুরী তেমনি তার আত্মার জন্যও বিনোদন, বিশ্রাম ও  খাদ্য জরুরী। আনন্দ ও চিত্ত বিনোদন মানুষের মধ্যে হতাশা ও ব্যর্থতার  গ্লানিসহ অন্যান্য নেতিবাচক অনুভূতিকে মন থেকে মুছে দেয় । আনন্দের অনুভূতি  মানুষকে প্রশান্তি দেয় এবং মনকে সুস্থ ও সতেজ রাখে । বিশ্বনবী (সা)&#8217;র  পবিত্র আহলে বাইতের সদস্য হযরত ইমাম রেজা (আঃ) বলেছেন, আনন্দ ও চিত্ত  বিনোদন মানুষকে জীবন যাপনের ক্ষেত্রে সহায়তা করে এবং এ সবের সহায়তায়  দুনিয়ার বা পার্থিব বিষয়ে বেশী সাফল্য পাওয়া যায়। আজকাল মনোবিজ্ঞানীরা  মানুষের সুস্থতার জন্য আনন্দ ও চিত্ত বিনোদনকে খুব গুরুত্ব দিচ্ছেন।  বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও আনন্দ ও চিত্ত বিনোদনকে ব্যাপক গুরুত্ব  দেয়া হচ্ছে। অনেক মনোবিজ্ঞানী বলছেন, চিত্তবিনোদন, হাসি-খুশি ও প্রফুল্লতা  বিভিন্ন ধরনের রোগ প্রতিরোধ করে এবং শরীরে নানা ধরনের ক্যান্সারের দ্রুত  ছড়িয়ে পড়াকেও ঠেকিয়ে রাখে । চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে হাসি ও প্রফুল্লতা  এমন এক অনৈচ্ছিক প্রতিক্রিয়া যার ফলে মুখের ১৫টি মাংসপেশি একই সময়ে সংকুচিত  হয় এবং দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস ঘটে । এ ছাড়াও হাসি ও প্রফুল্লতার সময় শরীরের  রক্ত-প্রবাহ দ্রুত সঞ্চালিত হওয়ায় রক্তে এড্রেনালিন বেড়ে যায়। ফলে মানুষ  আরো সজীবতা ও আনন্দ অনুভব করে । মানুষের জীবনে যদি আনন্দ ও প্রফুল্লতা না  থাকতো তাহলে মানুষ মানসিক চাপের তীব্রতায় প্রাণ ত্যাগ করতো । তাই জনগণের  মধ্যে হতাশা দূর করা ও তাদের চিত্ত বিনোদনের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেয়া  সরকারের দায়িত্ব। সরকার জনগণের জন্য সুস্থ বিনোদন ও নিষ্কলুষ আনন্দের  ব্যবস্থা করতে পারলে তা দেশের উন্নতি-অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। <span
id="more-66"></span></p><p>একইভাবে পরিবার ও সমাজের উন্নতির জন্যেও দুঃখ ও হতাশা দূর করা এবং  আনন্দ ও চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা করা জরুরী। আনন্দিত বা দুঃখিত হওয়া কেবল  একজন মানুষের নিজের সাথে সম্পর্কিত বিষয় নয়। কারণ, একজন মানুষের হাসি-খুশী  মুখ এবং দুঃখ-ভারাক্রান্ত বা ক্রুদ্ধ চেহারা অন্যদেরও প্রভাবিত করে । বৃটিশ  জীব বিজ্ঞানী রুপার্ট শেল্ডারকে বলেছেন, মানুষের স্মৃতি এবং অনুভূতি কেবল  মগজের মধ্যেই সঞ্চিত থাকে না, মানুষের মধ্যে সামষ্টিক বা সামাজিক অনুভূতি  নামে এক ধরনের বিশেষ অনুভূতি রয়েছে। আর এ অনুভূতি-শক্তির মাধ্যমে মানুষ  পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত হয়। আর এ কারণেই অন্যের সুখ ও দুঃখ মানুষকে  প্রভাবিত করে।</p><p>অবশ্য মানুষের সুখ আপেক্ষিক বিষয় ।  বিভিন্ন ধরনের মানুষ বিভিন্ন অবস্থায় আনন্দ পায় । কোনো কোনো সমাজ-বিজ্ঞানীর  মতে, সমাজের দূর্বল বা বঞ্চিত শ্রেণীর মানুষ ফুটবল খেলা দেখা বা এ ধরনের  বিষয় থেকে আনন্দ পায়। আবার মধ্যবিত্ত বা অবস্থা সম্পন্ন লোকেরা অর্থ জমিয়ে  এবং বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করে আনন্দ বা সুখ উপভোগ করতে চায়।  গ্রীক দার্শনিক এরিস্টোটল মনে করতেন চিন্তাশীল জীবনের মধ্যে রয়েছে আনন্দ  এবং এই আনন্দই হচ্ছে সর্বোচ্চ আনন্দ। আবার অনেক দার্শনিক ও গবেষক মনে করেন  কেবল ধর্মীয় ও নৈতিক জীবন যাপনের মধ্যেই রয়েছে আনন্দ।</p><p>পবিত্র ইসলাম ধর্ম মানুষের শারীরীক ও আত্মিক সমস্ত চাহিদার  প্রতি গুরুত্ব দেয়। ইসলাম মনে করে, একটি সফল জীবনের জন্য প্রশান্তি ও  প্রফুল্লতা থাকা জরুরী। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন স্থানে সুখ বা আনন্দ শব্দটি  প্রায় ২৫ বার এসেছে। যারা মানুষের জন্য আনন্দ ও সুখের ব্যবস্থা করেন,  পবিত্র কোরআন তাদের প্রশংসা করে এবং তারা পরকালে আল্লাহর কাছ থেকে পুরস্কার  পাবে বলে উল্লেখ করেছে। ইসলাম মানুষের প্রাত্যহিক জীবনে আনন্দ উপভোগের দিক  নির্দেশনা দিয়েছে। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ(সাঃ)&#8217;র আহলে বাইতের সদস্য হযরত  ইমাম রেজা (আঃ) বলেছেন, তোমার প্রাত্যহিক তৎপরতার সময়কে চার ভাগে ভাগ করে  নাও। এই চার ভাগের এক ভাগ সময়ে আল্লাহর এবাদত করবে। এক ভাগ ব্যয় করবে  আয়-উপার্জনের জন্য, অন্য এক ভাগ সময়ে নিজের বিশ্বস্ত ভাইদের সাথে ও এমন  লোকদের সাথে যোগাযোগ রাখবে যারা তোমাকে তোমার দোষ-ত্রুটি সম্পর্কে অবহিত  করবে। এ ছাড়াও অন্য এক ভাগ সময় চিত্ত বিনোদন ও আনন্দের জন্য বরাদ্দ রাখবে।  আর আনন্দ ও চিত্ত বিনোদনের মাধ্যমে অর্জিত মানসিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে অন্য  সময়ের দায়িত্ব এবং কাজগুলো সম্পন্ন করবে।</p><p>সুস্থ  বিনোদন বা নিষ্কলুষ আমোদ-প্রমোদ মানুষকে সুস্থ আনন্দ উপহার দেয়। রংবেরংয়ের  ফুল, সবুজ গাছ-পালা, ঝর্ণা, পাহাড়-পর্বত, নদী-নালা প্রভৃতি সুন্দর  প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে আমরা একদিকে যেমন আনন্দ উপভোগ করতে পারি, তেমনি  কিছুটা হলেও মহান আল্লাহর নেয়ামত বা অনুগ্রহকে উপলব্ধি করে তাঁর প্রতি  কৃতজ্ঞতা জানাতে পারি। ভ্রমণ ও এর মাধ্যমে সুন্দর দৃশ্য দেখা বা জ্ঞান  অর্জন করা সুস্থ বিনোদনের আরেকটি মাধ্যম । পবিত্র কোরআন মানুষকে বিভিন্ন  স্থান ভ্রমণ করে অতীতের জাতিগুলোর পরিণতি থেকে শিক্ষা নিতে বলে । ভ্রমণের  ফলে মানুষের মনে জমে থাকা অবসাদ, একঘেয়েমি ও ক্লান্তি দূর হয় এবং মন সতেজ ও  প্রফুল্ল হয়ে ওঠে। ভ্রমণ মানুষের শরীরকেও সুস্থ রাখে। এ জন্যই বিশ্বনবী  হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) বলেছেন, তোমরা সুস্থ থাকার জন্য ভ্রমণ কর।<br
/> শরীর-চর্চা  ও খেলাধুলাও বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ)  বলেছেন, পিতার ওপর সন্তানের অধিকার হলো হলো, পিতা সন্তানকে লেখা, সাঁতার ও  তীর-চালনা শেখাবে এবং বৈধ আয়ের মাধ্যমে সন্তানের জীবীকা নির্বাহ করবে।<br
/> বিভিন্ন  উৎসব অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়াও আনন্দ ও বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। এ জন্যই  ইসলাম ধর্মীয় উৎসব বা দিবস ও ধর্মীয় নেতা বা মহান ইমামগণের জন্ম-দিনে উৎসব  পালন করাকে গুরুত্ব দিয়েছে । তবে উৎসবের নামে বাড়াবাড়ি, অপচয় অর্থহীন  কর্মকান্ড ও অপসংস্কৃতি বা অনাচারে জড়িয়ে পড়া নিষিদ্ধ । চিন্তাবিদদের মতে  অন্যদের সহায়তা করা এবং গরীব ও অসহায় ব্যক্তিদের সাহায্য দেয়ার পাশাপাশি  ধর্মীয় ফরজ বা অবশ্য-পালনীয় কর্তব্য সম্পাদনও প্রকৃত ও অকৃত্রিম আনন্দের  উৎস ।</p><p>দুনিয়ার আকর্ষণ ও চাকচিক্য থেকে নিজেকে দূরে  রাখাও প্রকৃত সুখ বা আনন্দের উৎস । ভোগবাদ, বিলাসিতা ও চাকচিক্যের প্রতি  মোহ মানুষকে লোভী ও পরকালের প্রতি উদাসীন করে। লোভী মানুষ অনেক কিছু পেয়েও  সন্তুষ্ট হয় না, ফলে তার মধ্যে মানসিক অশান্তি বাড়তেই থাকে। তাই যারা  দুনিয়ার বাহ্যিক জাকজমক ও চাকচিক্যের প্রতি আকৃষ্ট হয় না, তাদের দৃষ্টি হয়  অনেক উদার ও প্রসারিত । এ ধরনের মানুষ সামান্য সমস্যায় নতজানু হন না এবং  তারা বিভিন্ন প্রতিকূলতার মধ্যেও উঁচু মনোবলের অধিকারী হন। এক্ষেত্রে  প্রার্থনা বা মোনাজাত মানুষের অন্তরে শক্তি যোগায় এবং আত্মাকে করে সজীব ও  প্রাণবন্ত। কবিতা বা গজল আবৃত্তি, বিয়ের উৎসব, উপহার দেয়া, উজ্জ্বল রংয়ের  জামা কাপড় পরা, সুগন্ধি ব্যবহার, সুন্দর সাজে সজ্জিত হওয়া, আত্মীয়-স্বজন ও  বন্ধু-বান্ধবের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ এবং সর্বোপরি কর্ম ও সাধনায় জড়িত থাকা  ইসলাম-নির্দেশিত নির্মল আনন্দের আরো কিছু মাধ্যম । সবশেষে বিশ্বনবী হযরত  মুহাম্মাদ (সাঃ)&#8217;র একটি বাণী শুনিয়ে শেষ করবো আজকের এই আলোচনা। তিনি  বলেছেন, যে কেউ একজন মুমিনকে আনন্দ দিল, সে যেন আমাকে আনন্দ দিল, আর যে  আমাকে খুশি করলো, সে অবশ্যই আল্লাহকেও খুশি করলো। #</p><p><a
href="http://http://bangla.irib.ir/index2.php?option=com_content&amp;task=view&amp;id=6206&amp;pop=1&amp;page=0&amp;Itemid=83" target="_blank">তথ্য সূত্র </a></p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=66&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/66.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>টি-২০ বিশ্বকাপ রেকর্ডস</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/64.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/64.html#comments</comments> <pubDate>Sun, 25 Apr 2010 15:39:39 +0000</pubDate> <dc:creator>পালাবদল</dc:creator> <category><![CDATA[খেলাধূলা]]></category> <category><![CDATA[ক্রিকেট]]></category> <category><![CDATA[খেলাধুলা]]></category> <category><![CDATA[টি ২০]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/?p=64</guid> <description><![CDATA[আগামী ৩০ এপ্রিল-১৬ মে ক্যারিবীয় অঞ্চলে শুরু হচ্ছে ২০১০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেট। তৃতীয় আসনের এ টুর্নামেন্টের পূর্ববতী দু&#8217;টি আসনের রেকর্ড। সর্বোচ্চ সংগ্রহ : দল রান ওভার প্রতিপক্ষ ভেনু্য তারিখ শ্রীলংকা ২৬০-৬ ২০ কেনিয়া জোহানেসবার্গ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭ ভারত ২১৮-৪ ২০ ইংল্যান্ড ডারবান ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭ দ.আফ্রিকা ২১১-৫ ২০ স্কটল্যান্ড ওভাল ৭ জুন, ২০০৯ দ.আফ্রিকা [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>আগামী ৩০ এপ্রিল-১৬ মে ক্যারিবীয় অঞ্চলে শুরু হচ্ছে ২০১০ সালের টি-২০  বিশ্বকাপ ক্রিকেট। তৃতীয় আসনের এ টুর্নামেন্টের পূর্ববতী দু&#8217;টি আসনের  রেকর্ড।<br
/> সর্বোচ্চ সংগ্রহ :<br
/> দল রান ওভার প্রতিপক্ষ ভেনু্য তারিখ<br
/> শ্রীলংকা ২৬০-৬ ২০ কেনিয়া জোহানেসবার্গ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> ভারত ২১৮-৪ ২০ ইংল্যান্ড ডারবান ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> দ.আফ্রিকা ২১১-৫ ২০ স্কটল্যান্ড ওভাল ৭ জুন, ২০০৯<br
/> দ.আফ্রিকা ২০৮-২ ১৭.৪ ওয়েস্ট ইন্ডিজ জোহানেসবার্গ ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> ওয়েস্টইন্ডিজ ২০৫-৬ ২০ দ.আফ্রিকা জোহানেসবার্গ ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৭ <span
id="more-64"></span></p><p>সর্বনিম্ন রান :<br
/> দল রান ওভার প্রতিপক্ষ ভেনু্য তারিখ<br
/> কেনিয়া ৭৩ ১৬.৫ নিউজিল্যান্ড ডারবান ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> স্কটল্যান্ড ৮১ ১৫.৪ দ.আফ্রিকা ওভাল ৭ জুন ২০০৯<br
/> বাংলাদেশ ৮৩ ১৫.৫ শ্রীলংকা জোহানেসবার্গ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> কেনিয়া ৮৮ ১৯.৩ শ্রীলংকা জোহানেসবার্গ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> নেদারল্যান্ড ৯৩ ১৭.৩ পাকিস্তান লর্ডস ৯ জুন ২০০৯</p><p>বড় ব্যবধানের রানে জয় :<br
/> বিজয়ী ব্যবধান টার্গেট প্রতিপক্ষ ভেনু্য তারিখ<br
/> শ্রীলংকা ১৭২ রান ২৬১ কেনিয়া জোহানেসবার্গ ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> দ.আফ্রিকা ১৩০,, ২১২ স্কটল্যান্ড ওভাল ৭ জুন ২০০৯<br
/> নিউজিল্যান্ড ৮৩,, ১৯৯ আয়ারল্যান্ড নটিংহ্যাম ১১ জুন ২০০৯<br
/> পাকিস্তান ৮২,, ১৭৬ নেদারল্যান্ড লর্ডস ৯ জুন ২০০৯<br
/> শ্রীলংকা ৬৪,, ১৪৮ বাংলাদেশ জোহানেসবার্গ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭</p><p>বেশি উইকেট ব্যবধানে জয় :<br
/> বিজয়ী ব্যবধান টার্গেট প্রতিপক্ষ ভেনু্য তারিখ<br
/> অস্ট্রেলিয়া ১০ উইকেট ১০২ শ্রীলংকা কেপটাউন ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> নিউজিল্যান্ড ৯ ,, ৭৪ কেনিয়া ডারবান ১২ ,, ২০০৭<br
/> অস্ট্রেলিয়া ৯ ,, ১২৪ বাংলাদেশ কেপটাউন ১৬ ,, ২০০৭<br
/> দ.আফ্রিকা ৮ ,, ২০৬ ওয়েস্টইন্ডিজ জোহানেসবার্গ ১১ ,, ২০০৭<br
/> অস্ট্রেলিয়া ৮ ,, ১৩৬ ইংল্যান্ড পেকটাউন ১৪ ,, ২০০৭</p><p>কম রানের ব্যবধানে জয় :<br
/> বিজয়ী ব্যবধান টার্গেট প্রতিপক্ষ ভেনু্য তারিখ<br
/> দ.আফ্রিকা ১ রান ১২৯ নিউজিল্যান্ড লর্ডস ৯ জুন ২০০৯<br
/> ইংল্যান্ড ৩ রান ১৫৪ ভারত লর্ডস ১৪ ,, ২০০৯<br
/> নিউজিল্যান্ড ৫ রান ১৬৫ ইংল্যান্ড ডারবান ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> ভারত ৫ রান ১৫৮ পাকিস্তান জোহানেসবার্গ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> পাকিস্তান ৭ রান ১৫০ দ.আফ্রিকা নটিংহ্যাম ১৮ জুন ২০০৯</p><p>কম উইকেট ব্যবধানে জয় :<br
/> বিজয়ী ব্যবধান টার্গেট প্রতিপক্ষ ভেনু্য তারিখ<br
/> পাকিস্তান ৪ উইকেট ১৪১ বাংলাদেশ কেপটাউন ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> নেদারল্যান্ড ৪ উইকেট ১৬৩ ইংল্যান্ড লর্ডস ৫ জুন ২০০৯<br
/> জিম্বাবুয়ে ৫ উইকেট ১৩৯ অস্ট্রেলিয়া কেপটাউন ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> ও.ইন্ডিজ ৫ উইকেট ৮০ ইংল্যান্ড ওভাল ১৫ জুন ২০০৯<br
/> বাংলাদেশ ৬ উইকেট ১৬৫ ও.ইন্ডিজ জোহানেসবার্গ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭</p><p>সর্বাধিক রানের রেকর্ড :<br
/> খেলোয়াড় ম্যাচ ইনিংস অপরাজিত মোট রান সর্বোচ্চ গড় ১০০ ৫০ ৪ ৬<br
/> টি.দিলশান(শ্রীলংকা) ১২ ১১ ২ ৩৮২ ৯৬(অপ.) ৪২.৪৪ ০ ৩ ৪৮ ৭<br
/> জি.গম্ভীর (ভারত) ১২ ১১ ০ ৩৭৫ ৭৫ ৩৪.০৯ ০ ৪ ৪৩ ৬<br
/> শোয়েব মালিক (পাকিস্তান) ১৪ ১৯ ৪ ৩৩৯ ৫৭ ৩৩.৯০ ০ ২ ২৭ ৫<br
/> কে.পিটারসেন (ইংল্যান্ড) ৯ ৯ ০ ৩৩২ ৭৯ ৩৬.৮৮ ০ ২ ৩৬ ১০<br
/> এস.জয়নুরিয়া(শ্রীলংকা) ১২ ১২ ০ ৩৩১ ৮৮ ২৮.৫৮ ০ ৩ ৩৯ ১২</p><p>ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান রেকর্ড :<br
/> খেলোয়াড় রান বল ৪ ৬ প্রতিপক্ষ ভেনু্য তারিখ<br
/> সি.গেইল (ও.ইন্ডিজ) ১১৭ ৫৭ ৭ ১০ দ.আফ্রিকা জোহানেসবার্গ ১১সেপ্টেম্বর২০০৭<br
/> টি.দিলশান(শ্রীলংকা) ৯৬অপ. ৫৭ ১২ ২ ও.ইন্ডিজ ওভাল ১৯ জুন ২০০৯<br
/> এইচ গিবস (দ.আফ্রিকা) ৯০অপ. ৫৫ ১৪ ২ ও.ইন্ডিজ জোহানেসবার্গ  ১১সেপ্টেম্বর২০০৭<br
/> জে কেম্প (দ.আফ্রিকা) ৮৯অপ. ৫৬ ৬ ৬ নিউজিল্যান্ড ডারবান ১৯সেপ্টেম্বর২০০৭<br
/> এস.জয়সুরিয়া(শ্রীলংকা) ৮৮ ৪৪ ১১ ৪ কেনিয়া জোহানেসবার্গ ১৪সেপ্টেম্বর২০০৭</p><p>সর্বাধিক উইকেট :<br
/> খেলোয়াড় ম্যাচ ওভার মেডেন রান উইকেট সেরা বোলিং গড় ৪ ৫<br
/> উমর গুল(পাকিস্তান) ১৪ ৫২.১ ০ ৩১৩ ২৬ ৫-৬ ১২.০৩ ১ ১<br
/> শহিদ আফ্রিদি(,,) ১৪ ৫৬ ১ ৩৩৭ ২৩ ৪-১১ ১৪.৬৫ ২ ০<br
/> এল মালিঙ্গা (শ্রীলংকা) ১২ ৩৯.২ ০ ২৮১ ১৯ ৩-১৭ ১৪.৭৮ ০ ০<br
/> ডি ভেট্টরি (নিউজিল্যান্ড) ৮ ৩২ ০ ১৮০ ১৫ ৪-২০ ১২.০০ ১ ০<br
/> আর সিং(ভারত) ৯ ২৯ ০ ১৮৬ ১৪ ৪-১৩ ১৩.২৮ ১ ০</p><p>ইনিংস সেরা বোলিং<br
/> খেলোয়াড় ওভার মেডেন রান উইকেট প্রতিপক্ষ ভেনু্য তারিখ<br
/> উমর গুল(পাকিস্তান) ৩.০০ ০ ৬ ৫ নিউজিল্যান্ড ওভাল ১৩ জুন ২০০৯<br
/> এস গিলেস্পি(নিউজিল্যান্ড) ২.৫ ০ ৭ ৪ কেনিয়া ডারবান ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> শহিদ আফ্রিদি(পাকিস্তান) ৪.০ ০ ১১ ৪ নেদারল্যান্ড লর্ডস ৯ জুন ২০০৯<br
/> আর সিং (ভারত) ৪.০ ০ ১৩ ৪ দ.আফ্রিকা ডারবান ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৭<br
/> ডবি্লউ পারনেল (দ.আফ্রিকা) ৪.০ ০ ১৩ ৪ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওভাল ১৩ জুন ২০০৯</p><p><a
href="http://www.bssnews.net/bangla/newsDetails.php?cat=5&amp;id=41060&amp;date=2010-04-24" target="_blank">তথ্য  সূত্র</a></p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=64&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/64.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>Chhatra League’s sexual offences:  a widespread state of denial</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/62.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/62.html#comments</comments> <pubDate>Mon, 19 Apr 2010 12:30:18 +0000</pubDate> <dc:creator>ধানসিঁড়ি</dc:creator> <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category> <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category> <category><![CDATA[সাম্প্রতিক বিষয়]]></category> <category><![CDATA[Awami League]]></category> <category><![CDATA[BAL]]></category> <category><![CDATA[BCL]]></category> <category><![CDATA[chhatra league]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/?p=62</guid> <description><![CDATA[Source As feminists have repeatedly pointed out, eve-teasing is a western and Christian construct, it refers to the temptress nature of Eve, thereby placing the responsibility for sexual harassment on women. On the victims, not the perpetrators. From earlier denial, looking-the-other-way, to victim-blaming? Is this the new AL strategy being fashioned by its ideologists? Rahnuma [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p><a
href="http://www.newagebd.com/2010/apr/19/edit.html" target="_blank">Source</a></p><p>As feminists have repeatedly pointed out, eve-teasing is a western and  Christian construct, it refers to the temptress nature of Eve, thereby placing  the responsibility for sexual harassment on women. On the victims, not the  perpetrators. From earlier denial, looking-the-other-way, to victim-blaming? Is  this the new AL strategy being fashioned by its<br
/> ideologists? <strong>Rahnuma  Ahmed</strong> asks<br
/> WHILE working on last  week’s column, ‘The Nation, or Chhatra League&#8230;?’ (published on April 12), I  had been in two minds.<br
/> Should I include sexual offences—aggressive  behaviour, molestation, physical assault, violence, rape, asking a buddy to  video the incident of rape for subsequent commercial release as pornography,  gang-rape—allegedly committed by Bangladesh Chhatra League leaders and  activists?<br
/> No, it deserves a separate column, I thought.<span
id="more-62"></span><br
/> I was  unaware of media reports on Eden College. For over two months, I’d been totally  absorbed in researching and writing the Weather series (February 1–March 29),  and had been oblivious to much of what was happening around me. This included  allegations against the BCL’s women leaders and activists at Eden. But more on  that later.<br
/> By all accounts, there seems to have been a sudden and  horrific increase in nationwide violence, largely against girls and young women,  over the last couple of months. Ten-year old schoolgirl Shahnaz Begum of  Digalbagh village in Mymensingh was raped by two brothers. Killed. October 2009.  Eti Moni, a class ten student of Jaldhaka municipality in Nilphamari was raped.  Strangled to death. October 2009. A schoolgirl of class three was raped at  Ramanandapur village in Pabna sadar. October 2009. Nashfia Akand Pinky, a class  IX student, committed suicide by hanging herself because she had been  mercilessly teased and harassed, Pashchim Agargaon, Dhaka. January 2010. Nilufar  Yasmin Eeti’s parents were shot dead by a young man after they turned down his  proposal of marriage, Kalachandpur area in Gulshan, Dhaka. March 2010.  Fourteen-year old Umme Kulsum Elora, a student of class VII, committed suicide  by taking pesticide because of continued harassment. April 2010. Mariam Akter  Pinky, a student of class ten, died of burn injuries fuelled by kerosene in  Konabhaban village in Kishoreganj; her mother says she saw the young man who had  harassed her for the last two years run out of the room. April 2010&#8230; there are  many more. I stare uncomprehendingly at the horror<br
/> of it all.<br
/> As I  scan the newspapers, a recent headline catches my eye, Man stabs himself over  refusal of marriage proposal. One lone man. He had preferred to kill himself.  Not the woman.<br
/> And what about sexual offences which, according to media  reports, have specifically been committed by BCL leaders and activists? Ahsan  Kabir Mamun, also known as Mamun Howladar, information secretary of Pirojpur  district committee of the BCL, raped a class X student in Pirojpur, Barisal.  September 2009. The incident was recorded on cell phone by his childhood friend  ‘Ganja’ Monir, who happens to be a BNP activist. It was later available as a  pornographic CD for sale in local video shops. Mamun insists it was recorded  ‘secretly’, while Monir says he was carrying out Mamun’s instructions. Mamun did  not deny having raped the girl, but added, the recording (not committing the  crime itself, mind you) had been done to ‘tarnish’ his political and business  image. The two families, he said, were closely related. He was to be married to  her soon. Her family responded by demanding that he should receive ‘exemplary  punishment’.<br
/> A group of 16 young men, in September 2009, abducted a class  VII student of Pakhimara in Kalapara upazila in Patuakhali. The young girl was  returning home from a Puja mandap accompanied by her cousin Nasir, whom the men  beat up and drove away. They took her to a nearby garden. According to media  reports, she was gang-raped, allegedly by ten of her abductors. All BCL  activists. More recently, in February 2010, four students of Chittagong Medical  College, all BCL leaders and activists, allegedly raped a girl on a hill  adjoining the CMC campus.<br
/> Young women, who are either university students,  or walking through campuses, have complained of being physically assaulted by  BCL activists. In early November, a Rajshahi university student was assaulted  and confined for an hour. One of the assaulters was Kawsar Hossain, a fellow  student of the same university who had declared his love for her but had been  turned down. A similar incident had occurred several months earlier, on the same  campus, when another BCL activist, accompanied by his associates, assaulted a  woman student and her companion. On February 21, BCL activists beat up a young  girl and her friends who were returning from the central Shaheed Minar, in front  of the Dhaka University vice-chancellor’s residence. A BCL activist of  Jasimuddin Hall approached the young girl, and began harassing her. Her  companions and passersby came to her aid but other BCL activists, from nearby  halls, joined in the attack. Five people were injured. This month, in April,  students of statistics department of Jagannath University refused to attend  classes until a BCL activist, who had reportedly assaulted a woman student  belonging to their department, was punished.<br
/> What is wrong with the BCL?  Or, more precisely, what wrongs do its leaders and their followers commit?  Violence. Extortion. Tenderbaji. Sexual offences are never mentioned. Not by the  prime minister, nor by any high (let alone, low-) ranking AL member. It is an  offence that has no name. And therefore, it does not exist. If it does not  exist, its existence need not be acknowledged&#8230; That is how denial has worked.  And at the ground level, someone or the other obliges, whether it be party  functionaries. Or local-level police. Or the college principal. For instance, in  the case of Pakhimara, where the gang-rape occurred, local-level AL leaders  fined the 16 young men 10,000 taka each for having ‘tortured’ the girl. Their  offence was characterised as ‘intent to rape’. Not gang-rape, no. The victim’s  family was forced to declare this at a hurriedly called press conference. Forced  to file a defamation case against the publisher, editor and reporter of a Bangla  daily for having reported the rape as rape. AL leaders pressurised the editor of  a local daily to sack his reporter for having reported the rape. The culprits  were not arrested. The victim’s family fled in fear of reprisal. The allegation  of gang-rape had been manufactured to taint the ruling party’s image, said  Rakibul Ahsan, Kalapara upazila AL secretary.<br
/> In Pirojpur, Mamun was  expelled from his post of information secretary. His membership was cancelled  for life, but he, along with Monir, is still absconding. In Chittagong Medical  College, an emergency academic council meeting suspended the four alleged  rapists. News reports add, the identity of the girl was not known. Hence, no  rape case was filed. In Rajshahi University, although Kawsar was expelled from  the university, was imprisoned, he was still allowed to take his exams. On  flimsy grounds. The departmental chairperson had not received his expulsion  order from the university authorities. In Dhaka University, although BCL  activists who caused assault and injury on February 21 have been suspended, they  are still staying in the residential halls. Two have been given executive  positions in the newly-formed BCL hall unit.<br
/> But after the Pahela Baishakh  concert fiasco at Raju Chattar in Dhaka University, it has become increasingly  harder to deny that which has no name. According to newspaper reports, 20 female  students were molested. By BCL cadres. Also, by outsiders. Women concert-goers  complained. They were pinched. Grabbed. Breasts. Buttocks. Two women students’  kameezes were ripped, forcing them to accept shirts offered by male  concert-goers, to cover themselves. Police rescued fifteen young women from  among dense crowds, encircled by men. The concert was abruptly closed down as  things threatened to get out of control. According to newspaper reports, groups  of BCL activists had battled with each other over splitting 40 lakh taka given  by a private mobile phone company. To DU BCL leaders, for having organised the  concert. But no, the university authorities claimed not to know anything about  it. Neither did the BCL leadership. No, they hadn’t heard anything.<br
/> A  Bangla proverb, shaak die maach dhaka, the (foolhardy) attempt to cover live  fishes with spinach leaves, expresses well the attempts of DU authorities  post-concert. The DU vice-chancellor, Professor AAMS Arefin Siddique,  inaugurated a three-day Rover Scout campaign. Petitioning signatures.  Processions. Rallies. The slogan? ‘No to Eve teasing.’ Surely this undermines  last year’s High Court ruling? A ruling which was heartily welcomed by women’s  organisations in Bangladesh. Any kind of physical, mental or sexual harassment  of women, girls and children at their workplaces, educational institutions and  at other public places, including roads, is a criminal offence punishable by  fine and/or imprisonment. The ruling has the status of law. So where does this  all this drivel about eve-teasing come from? As feminists have repeatedly  pointed out, eve-teasing is a western and Christian construct, it refers to the  temptress nature of Eve, thereby placing the responsibility for sexual  harassment on women. On the victims, not the perpetrators. From earlier denial,  looking-the-other-way, to victim-blaming? Is this the new AL strategy being  fashioned by its ideologists? Why should women’s organisations and women’s  rights activists who have struggled hard for women’s right to public space for  many long years be a party to undermining our hard-won HC ruling? One which we  had all agreed was a ‘revolution’?<br
/> There are other things that I find  deeply troubling. The recent revelations sparked by squabbles over dividing the  loot earned from admission profiteering at Eden Women’s University College.  According to newspaper reports, factions opposed to BCL unit president Jasmine  Shamima Nijhum and general secretary Farzana Yasmin Tania have alleged that,  besides admission profiteering, these women leaders are involved in tenderbaji,  wheeling and dealing, buying up BTV slots, and lobbying. They use first year  students, those from village backgrounds, telling them that this is the way to  fulfil their dreams of becoming leaders, and becoming wealthy. The girls are  encouraged to dress up. They are taken to the houses of different leaders.  Sometimes to hotels. And asked to entertain them. According to the allegations,  the BCL leaders leave the hostel after 10 at night. Returning the next day, at  10 in the morning. Women students who refuse to do as told are either turned out  of the hostel, or their room is broken into, or locked up. The principal of the  college, according to news reports, is fully complicit in these  happenings.<br
/> Both Khaleda Zia, the leader of the opposition (‘the girls of  Eden college are being used to entertain the ministers and MPs whose salaries  and allowances have been raised’), and Ali Ahsan Mohammad Mujahid, Jamaat  secretary general (‘women students are used to satisfy the leaders’), have  capitalised on these stories, using them as opportunities to attack the  government.<br
/> While AL apologists shush the leader of the opposition for  having defiled the honour of ‘all’ students of Eden College for a bad apple or  two, while a journalist friend tells me that one or two students of Eden have  since retracted their statements, I return to my memories of Jahangirnagar  University, to the anti-rape movement in 1998 when the university authorities,  to quell the movement, had barked: which one among you have been raped? Come,  stand up, be identified.<br
/> Hundreds of women students had spoken up in a  single voice: we have all been dishonoured. The prime minister, her women  cabinet ministers, and the leader of the opposition could take lessons from  that.</p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=62&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/62.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>কনসার্ট কি শ্লীলতাহানির হাতিয়ার?</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/58.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/58.html#comments</comments> <pubDate>Thu, 15 Apr 2010 07:01:58 +0000</pubDate> <dc:creator>ধানসিঁড়ি</dc:creator> <category><![CDATA[নির্বাচিত]]></category> <category><![CDATA[ভাবনা]]></category> <category><![CDATA[উশৃংখলতা]]></category> <category><![CDATA[কনসার্ট]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/?p=58</guid> <description><![CDATA[শ্লীলতাহানি অতীতেও ছিল বর্তমানেও আছে, দিনদিন এর প্রকোপ মহামারী আকারে বাড়ছে। খুবই আশ্চর্যের বিষয় যে শ্লীলতাহানি ঘটছে দেশের সবচেয়ে নামীদামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে, ঘটছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উৎসবে। থার্টি ফার্স্ট নাইটে বাঁধনের শ্লীলতাহানি মিডিয়ায় যে তুমুল ঝড় তুলেছিল তার পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এ ধরণের অপকর্ম চীরতরে বিলুপ্ত হওয়াটাই সচেতন মানুষের আকাঙ্খা ছিল, কিন্তু যত দিন [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>শ্লীলতাহানি অতীতেও ছিল বর্তমানেও আছে, দিনদিন এর প্রকোপ মহামারী আকারে  বাড়ছে। খুবই আশ্চর্যের বিষয় যে শ্লীলতাহানি ঘটছে দেশের সবচেয়ে নামীদামী  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে, ঘটছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উৎসবে। থার্টি  ফার্স্ট নাইটে বাঁধনের শ্লীলতাহানি মিডিয়ায় যে তুমুল ঝড় তুলেছিল তার পরে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এ ধরণের অপকর্ম চীরতরে বিলুপ্ত হওয়াটাই সচেতন  মানুষের আকাঙ্খা ছিল, কিন্তু যত দিন যাচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের  সকল বিশ্ববিদ্যালয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নারীদের সম্ভ্রম লুটের মহোৎসব  বেড়েই চলেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বাসভবনের সামনে প্রভাতফেরী থেকে  ফেরার পথে <a
href="http://www.dailykalerkantho.com/print_news.php?path=data_files/85&amp;cat_id=1&amp;menu_id=13&amp;news_type_id=1&amp;news_id=34063" target="_blank">ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয়ের জসিমউদ্দিন হল শাখার ছাত্রলীগ  সভাপতি  আব্দুর রহমান  জীবনের অনুসারীরা সবার সামনেই ওড়না টানে, অভিবাবকসহ  ছাত্রীকে শারিরীকভাবে  লাঞ্ছিত করে</a>।  গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু  ভাস্কর্যের সামনে সেই  আবদুর রহমান জীবনের সংগঠন ‘মুক্তবাণ সাহিত্য  সাংস্কৃতিক সংসদ’ আয়োজিত <a
href="http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&amp;id=124496&amp;hb=top" target="_blank">নববর্ষ  কনসার্টে আবারো নারীরা লাঞ্ছিত হলো, কমপক্ষে ১৫  টি মেয়েকে পুলিশ উদ্ধার  করে বাড়ীতে পৌছে দেয়।</a> শিক্ষার্থীসহ অন্য   প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কনসার্ট  চলাকালে পুরো এলাকার হাজার হাজার মানুষের   ভিড়ের মধ্যে মেয়েরা এসে পড়লে  বখাটেরা তাদের লাঞ্ছিত করে। অবস্থা দেখে  মনে হয় নারীদের শ্লীলতাহানির হাতিয়ার হিসেবেই হয়তো ঘটা করে রাতবিরাতে  কনসার্টের আয়োজন করা হয়।<span
id="more-58"></span></p><p>সমাজে একদল মানুষ থাকে সুযোগ সন্ধানী। এরা কখনো অন্ধকারে ঘাপটি মেরে  থাকে, কখনো বা জনসমুদ্রের মাঝে লুকিয়ে থাকে, সব সময়েই এদের উদ্দেশ্য  নারীদের কৌমার্য হরণ। বৈশাখী উৎসব, মঙ্গল শোভাযাত্রা, বৈশাখী মেলা, বিভিন্ন  কনসার্ট, ক্রীড়া অনুষ্ঠান, বিয়ে বাড়ী সব খানেই নারীদেহ ছুঁয়ে দিতে এদের  বিচরণ। যেখানেই ভীরবাট্টা, সেখানেই চলে আসে এরা, কখনো একাকী, কখনো বা  সদলবলে। এদের বিচরণ পাবলিক পরীক্ষার গেটে শিক্ষার্থীদের ভীরে, এদের বিচরণ  পাবলিক পরিবহণে, মোট কথা যেখানেই ভিড় আছে, আছে হুড়োহুড়ি, ধাক্কাধাক্কি,  সেখানেই এরা নিঃশব্দে ঢুকে পরে। সকাল বেলা কিংবা গভীর রাতে যখন বাসগুলো ভরে  ওঠে গার্মেন্টের নারী কর্মীদের ভীরে, এরা ঠিকই ঠেলে ঠুলে জায়গা করে নেয়  তাদের মাঝে, চলে সুযোগের ব্যবহার, চলে হাতাহাতি।</p><p>অতীতেও এমনটি ছিল, তবে এ সম্পর্কে অভিভাবকদের ছিল সতর্ক দৃষ্টি। এ কারণে  যেখানে ভিড় বেশী সেখানে মেয়েদের ভিড়তে দিতে নারাজ ছিলেন আগের যুগের  মা-বাবারা। প্রায়শঃই দেখা যায় বিয়ে বাড়ীতে বর কনের বাসর যাপনের আগেই বেয়াই  বেয়াইনদের বেআইনী ক্রিয়াকর্মে বিয়ে বাড়ী অশুচি হয়ে ওঠে। এ কারণে আগেকার  দিনে বিয়ে বাড়ীতে মেয়েরা থাকতো অভিভাবকদের কড়া নজরে।  মেলা-উৎসবে মেয়েদের  যাওয়া রীতিমতো নিষিদ্ধ ছিল। সে কারনেই আগেকার দিনে নারীদের শ্লীলতাহানির  সংবাদ খুবই কম শোনা যেত।</p><p>কিন্তু ইদানিং দিন বদলেছে, নারীদেরকে তাদের স্বাধীনতার কথা বলে টেনে আনা  হয়েছে পুরুষের মিছিলে। অথচ যে পুরুষেরা তাদেরকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়ে  পুরুষের প্রতিদ্বন্দী করে তুলেছে সেসব পুরুষেরা নারীকে নিছক যৌনসামগ্রী  ছাড়া অন্যকিছুই কি ভাবে? একবার ভেবে দেখা উচিত। নারীরা যদি অন্তঃপুরে  অভিভাবকদের নজরদারিতে থাকে তবে বিয়ের আগে কোন পুরুষের পক্ষেই সহজে নারীদের  শিকার করা সম্ভব হয় না, তাই নারী শিকারী পুরুষেরা নারীদেরকে অন্যায়ভাবে,  অনৈতিকভাবে ভোগের জন্যই মূলত রাস্তায় নামিয়ে আনে। নারী স্বাধীনতার নামে  নারীদের শুধুমাত্র ব্যবসায়ে পন্যের খদ্দের ধরার টোপ হিসেবেই ব্যবহার করা  হচ্ছে। ইদানিং যত বিজ্ঞাপন দেখা যায় তাতে পণ্যের গুণগাণের চেয়ে নারীদের  বিশেষ কোন অঙ্গের প্রদর্শনীই বেশী গুরুত্ব পায়। সবকিছুই নারীরা দেখেন,  নারীদেরকে যে সুন্দর সুন্দর কথার আড়ালে পুরুষরা বিভিন্নভাবে ব্যবহার করছে  হয়তো নারীরা ঠিকই বুঝেন, তবু্ও তারা জেনেশুনে বিষপান করতেই পছন্দ করেন কিনা  আমার বোধগম্য নয়।</p><p>আমরা যারা এ ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছি তাদের সবারই উচিত এ সময় থেকে  শিক্ষা নেয়া। এ সময়ের পুরুষদের নৈতিকতাবিরোধী অশ্লীল কর্মকান্ডের প্রত্যক্ষ  স্বাক্ষী  আমরা সবাই। আমাদের  সবার উচিত আমাদের এ সময় এবং আমাদের  বাপ-দাদাদের সময়ের মাঝে নির্মোহ বিচার-বিশ্লেষণ করা। আমরা যারা বাবা হয়েছি,  হয়েছেন যারা সন্তানের মা, সবার উচিত উদারতা, স্বাধীনতা আর সমানঅধিকারের  নামে গো ধরে বসে না থেকে সুন্দর একটা সমাজ গঠনে নারীদেরকে তাদের যোগ্য  মর্যাদা দেয়া।  শিশুদের আমরা সবচেয়ে বেশী ভালোবাসি, তবুও তাদেরকে এমন  স্বাধীনতা দেয়া পছন্দ করি না যার ফলে তারা হামাগুড়ি দিয়ে গনগনে চুলোর আগুনে  গিয়ে পরে, ঠিক তেমনি এমন স্বাধীনতাও আমাদের ছেলে মেয়েদের দেয়া উচিত নয়  যাতে তারা মানুষরূপী হায়েনাদের শিকারে পরিণত হয়। আর যদি সন্তানদেরকে পূর্ণ  স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে দিতে চাই তবে অবশ্যই এসব হায়েনাদের গলে শরীয়াহ  আইনের শেকল পড়াতে হবে, প্রকাশ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে  যাতে কোন হায়েনার পক্ষেই দন্ত নখর বের করে হামলে পড়ার সাহস কখনো না হয়।</p><p><a
href="http://www.shahriar.info" target="_blank">শাহরিয়ারের স্বপ্নবিলাস</a></p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=58&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/58.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>1</slash:comments> </item> <item><title>রাষ্ট্রীয় সফর সফল করার সহজ উপায় &#8211; শফিক রেহমান</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/55.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/55.html#comments</comments> <pubDate>Fri, 09 Apr 2010 04:42:57 +0000</pubDate> <dc:creator>পালাবদল</dc:creator> <category><![CDATA[সাম্প্রতিক বিষয়]]></category> <category><![CDATA[সারা বিশ্ব]]></category> <category><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সফর]]></category> <category><![CDATA[বিদেশ সফর]]></category> <category><![CDATA[রাষ্ট্রীয় সফর]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/?p=55</guid> <description><![CDATA[সম্পূর্ণ কল্পিত, অবাস্তব ও অবিশ্বাসযোগ্য সংলাপ মালা দৃশ্য ১. স্থান : চায়নার রাজধানী বেইজিংয়ে গ্রেট হল অফ দি পিপল-এ রাষ্ট্রীয় মিটিং রুম। কাল : ১৮ মার্চ ২০১০ চরিত্র : চায়নার প্রধানমন্ত্রী (চাপ্রম), বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (বাপ্রম) এবং দুজন ইন্টারপ্রেটার বা দোভাষী। চাপ্রম : চায়নায় আপনাকে স্বাগতম জানাচ্ছি। আমরা আন্তরিকভাবে আশা করি আপনার এই সফরের পর চায়না-বাংলাদেশ [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p><em>সম্পূর্ণ কল্পিত, অবাস্তব ও অবিশ্বাসযোগ্য সংলাপ মালা</em></p><p><strong><a
href="http://opinion.bdnews24.com/bangla/wp-content/uploads/sr.jpg" rel="lightbox[55]"><img
class="alignleft" style="margin: 10px;" title="শফিক রেহমান" src="http://opinion.bdnews24.com/bangla/wp-content/uploads/sr.jpg" alt="শফিক রেহমান" width="240" height="280" /></a>দৃশ্য ১.</strong></p><p>স্থান : চায়নার রাজধানী বেইজিংয়ে গ্রেট হল অফ দি পিপল-এ রাষ্ট্রীয় মিটিং রুম।</p><p>কাল : ১৮ মার্চ ২০১০</p><p>চরিত্র : চায়নার প্রধানমন্ত্রী (চাপ্রম), বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী (বাপ্রম) এবং দুজন ইন্টারপ্রেটার বা দোভাষী।</p><p>চাপ্রম : চায়নায় আপনাকে স্বাগতম জানাচ্ছি। আমরা আন্তরিকভাবে আশা করি আপনার এই সফরের পর চায়না-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব সম্পর্ক এক নতুন পর্যায়ে উন্নীত হবে।</p><p>বাপ্রম : আমরাও ঠিক সেই রকমটাই আশা করি।</p><p>চাপ্রম : পূর্ব অনুষ্ঠিত আলোচনা অনুযায়ী আমরা আজ এখানে উপস্থিত হয়েছি তিনটি অ্যাকর্ড বা চুক্তিপত্র এবং একটি এমওইউ বা সমঝোতাপত্রে স্বাক্ষর করতে।</p><p>বাপ্রম : হ্যা। এই তিনটি চুক্তিপত্র হবে, এক. অর্থনৈতিক ও কারিগরি খাতে সহযোগিতা যেখানে চায়না দেবে পর্যাপ্ত গ্রান্ট বা মঞ্জুরি, দুই. শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি নির্মাণের একটি কাঠামো প্রস্তুত এবং তিন. সপ্তম বাংলাদেশ-চায়না মৈত্রী সেতু নির্মাণ বিষয়ে। আর সমঝোতাপত্রটি হবে তেল ও গ্যাস খাতে বাংলাদেশ-চায়নার সহযোগিতা বিষয়ে।</p><p>চাপ্রম : চমৎকার। আপনি সবই জানেন দেখছি। বেইজিংয়ে আর কি করতে চান আপনি?</p><p>বাপ্রম : ২০০৮-এর অলিম্পিক গেমস উপলক্ষে নির্মিত বেইজিংয়ের স্টেডিয়ামটা দেখবো।</p><p>চাপ্রম : এই স্টেডিয়ামটা দর্শনীয় স্থানই বটে। ৪২৩ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার খরচ করে এই স্টেডিয়ামটা আমরা বানিয়েছিলাম। এটিই হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ স্টিল স্ট্রাকচার। এর নাম স্টিলের খাচা হওয়াই সঙ্গত ছিল। তবে এর নাম আমরা দিয়েছি বার্ডস নেস্ট বা পাখির নীড়। কিন্তু এখনো চায়নার সবচেয়ে বড় দর্শনীয় স্থান হচ্ছে দি গ্রেট ওয়াল বা চায়নার বিশাল দেয়াল। এই গ্রেট ওয়াল বিষয়ে তথ্যগুলো জানলে আপনি অবাক হয়ে যাবেন।</p><p>বাপ্রম : দয়া করে কয়েকটি তথ্য আমাকে বলবেন কি?</p><p>চাপ্রম : অবশ্যই। আনন্দের সঙ্গে বলবো। যিশু খৃস্টের জন্মের পাচশ বছর আগে অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে চায়নার উত্তর অঞ্চলে এই দেয়াল বানানোর কাজ শুরু হয়েছিল। তারপর প্রায় ২১০০ বছর জুড়ে এই দেয়াল নির্মাণ, মেরামতি, পুনঃনির্মাণ প্রভৃতি কাজ চলে ষোড়শ শতাব্দী পর্যন্ত। পাথরে তৈরি এই দেয়াল তৈরি করা হয়েছিল চায়নিজ সাম্রাজ্যের উত্তর সীমান্তকে রক্ষার জন্য। মিং বংশের রাজত্বের সময়ে এই দেয়ালের বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল। পূর্বে শানহাইগুয়ান থেকে পশ্চিমে লপ নুর পর্যন্ত বিস্তৃত এই দেয়ালটির তার শাখা-প্রশাখাসহ দৈর্ঘ ৮,৬৫১ কিলোমিটার বা ৫,৫০০ মাইল। এটি চওড়ায় সর্বোচ্চ ৯.১ মিটার বা ৩০ ফিট। চিন্তা করুন ৩০ ফিট চওড়া দেয়াল ৫,৫০০ মাইল জুড়ে চায়নাকে শতাব্দীর পর শতাব্দী সুরক্ষিত রেখেছে। (হাসি মুখে) পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের অন্যতম এই দি গ্রেট ওয়াল।</p><p>বাপ্রম : এই ওয়াল আমি দেখেছি। সত্যিই অতি আশ্চর্যজনক সৃষ্টি!</p><p>চাপ্রম : এই পাচ দিন সফরের শেষ দিনে আপনি যাবেন, কুনমিংয়ে। সেখানে আপনার সঙ্গে দেখা হবে ইউনান প্রদেশের গভর্নর মি. জিন গুয়াগং-য়ের সঙ্গে। যদিও আমরা আজকে তিনটি চুক্তিপত্র এবং একটি সমঝোতাপত্রে সই করবোÑ তবুও এসবই বাস্তবায়িত হবে একটি শর্ত সাপেক্ষে।</p><p>বাপ্রম (অবাক হয়ে) : একটি শর্ত! সেই শর্তটা কি? এ বিষয়ে আমার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. দীপু মনি এবং পররাষ্ট্র দফতর তো কিছুই আমাকে বলেনি!</p><p>চাপ্রম : এটা ওরা কেউ জানেন না। আপনাকে এই শর্ত বিষয়ে জানাবেন গভর্নর জিন গুয়াগং। তার আগে আগামীকাল আপনার সঙ্গে দেখা হবে আমাদের প্রেসিডেন্ট হু জিনতাও-য়ের সঙ্গে। আশা করি আপনার এই সৌজন্য সাক্ষাৎ আনন্দদায়ক হবে।</p><p><strong>দৃশ্য ২</strong></p><p>স্থান : এমপার্ক গ্র্যান্ড হোটেল, কুনমিং</p><p>কাল : ২১ মার্চ ২০১০, লাঞ্চ আওয়ার</p><p>পাত্র : ইউনান প্রদেশের গভর্নর জিন গুয়াগং, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, দুজন ইন্টারপ্রেটার এবং দুজন ফুড টেস্টার।</p><p>জিন গুয়াগং : অনেক ধন্যবাদ এই লাঞ্চে অতিথি হবার জন্য। আপনি জানেন কুনমিংয়ে কিছু বাংলাদেশি আছেন। বাংলাদেশি খাবারের জায়গা আছে। আমরা ইচ্ছা করলে আপনার জন্য বাংলাদেশি খাবারের আয়োজন করতে পারতাম। কিন্তু আমরা মনে করেছি চায়নাতে এসে আপনি চায়নিজ খাবারই খেতে পছন্দ করবেন। তাই আজকের লাঞ্চ মেনুতে সব চায়নিজ।</p><p>বাপ্রম : ঠিকই করেছেন। তবে দেখবেন সব যেন হালাল হয়। সাপ, ব্যাঙ, ইদুর, কুকুর যেন না থাকে।</p><p>জিন গুয়াগং : আমরা সে বিষয়ে কড়া নজর রেখেছি। সব হালাল এবং বিষমুক্ত খাবার ও পানীয় সার্ভ করা হবে। কোনো খাবার এবং পানীয়তে বিষ আছে কি না সেটা পরীক্ষা করার জন্য দুজন ফুড টেস্টার আমরা রেখেছি। প্রতিটি খাবার ও পানীয় সার্ভ হবার আগে ওরা দুজন (উপস্থিত দুই ফুড টেস্টারের দিকে আঙ্গুল দেখিয়ে) টেস্ট করে দেখবেন। তারপর সেটা আপনাকে সার্ভ করা হবে। আমরা জানি আপনি অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশে সেনা-সমর্থিত গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে যখন সাবজেলে বন্দি ছিলেন তখন আপনাকে স্লো ফুড পয়জনিং করা হয়েছিল। তাই চায়নাতে আপনাকে যেসব ফুড ও ড্রিংকস সার্ভ করা হয়েছে এবং হবে সেসব সম্পর্কে আমরা একস্ট্রা কেয়ারফুল আছি।</p><p>বাপ্রম : আপনাদের দূরদর্শিতার তারিফ করতেই হয়। কি খাওয়াবেন আজ?</p><p>জিন গুয়াগং : ট্রাডিশনাল চায়নিজ খাবার সাধারণত ছোট ছোট টুকরো বা পোর্শনে হয়, ফলে সেসব চপ স্টিকস দিয়ে খেতে সুবিধা হয়। সাধারণত চায়নিজ মেনু তৈরি হয় বিপরীত জাতীয় ফুডকে ব্যালান্স করে। যেমন হট ফুডকে ব্যালান্স করা হয় কোল্ড ফুড দিয়ে। পিকলড ফুড বা আচার জাতীয় সংরক্ষিত ফুড ব্যালান্স করা হয় ফ্রেশ ফুড দিয়ে। অনেক মশলাযুক্ত ফুড ব্যালান্স করা হয় কম মশলাযুক্ত ফুড দিয়ে। আমরা শুরু ও শেষ করবো চায়নিজ টি দিয়ে। আপনি বোধ হয় জানেন, চায়নিজরা মনে করে জীবন ধারণের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সাতটি বস্তু হচ্ছে, জ্বালানি কাঠ, চাল, তেল, লবণ, সয়া সস, ভিনিগার এবং চা।</p><p>বাপ্রম : এটা জানতাম না।</p><p>জিন গুয়াগং : আমরা টেবিলে ছুরি-কাটাচামচ রেখেছি। ইচ্ছা করলে সেসব ব্যবহার করতে পারেন। পাশেই চপ স্টিকসও রেখেছি। ৩,২০০ বছর আগেও আমরা চায়নিজরা চপ স্টিকস দিয়েই যে খেতাম তার প্রমাণ পাওয়া গেছে ইয়িন-এর ধ্বংসাবশেষে। সভ্য আচার-আচরণের বিকাশ যে প্রথম চায়নাতেই হয়েছিল তার প্রমাণ ৩,২০০ বছর আগেও চায়নিজরা আঙ্গুল দিয়ে নয়, চপ স্টিকস দিয়ে খেত।</p><p>বাপ্রম : চপ স্টিকস ধরা জানি না। তাই আমি আজ কাটাচামচ দিয়ে খাবো।</p><p>জিন গুয়াগং : শুরু করা যাক তাহলে।</p><p>ডাইনিং টেবিলে খাবার ও পানীয় সার্ভ শুরু হলো। ফুড টেস্টার দুজন সেসব চেখে দিলেন।</p><p>জিন গুয়াগং (খেতে খেতে) : আমাদের প্রধানমন্ত্রী মি. ওয়েন জিয়াবাও বিষয়ে আপনি কি জানেন?</p><p>বাপ্রম : তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী চায়নার স্টেট কাউন্সিলের ষষ্ঠ এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। স্ট্যান্ডিং কমিটিরও সদস্য তিনি। দেশের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারী এই স্ট্যাডিং কমিটি এবং এর নয় সদস্যের মধ্যে তার স্থান তৃতীয়। (হেসে) অর্থাৎ, চায়নাতে তিনিই সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি। একদিকে প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যদিকে স্ট্যান্ডিং কমিটির তিন নাম্বার সদস্য।</p><p>জিন গুয়াগং : উত্তরাধিকার সূত্রে নয়, নিজের যোগ্যতা বলেই তিনি শীর্ষে পৌছেছেন। পেশাগতভাবে তিনি একজন জিওলজিস্ট ও ইঞ্জিনিয়ার। বেইজিং ইন্সটিটিউট অফ জিওলজি থেকে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি নিয়েছেন। চায়নার কমিউনিস্ট পার্টিতে এখন যে চতুর্থ প্রজন্ম নেতৃত্ব দিচ্ছে, তিনি তার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।</p><p>বাপ্রম : তার সঙ্গে কথা বলে আমি মুগ্ধ হয়েছি। তবে সেই আলোচনার শেষে তিনি একটা রহস্য করেন। তিনি একটা শর্তের কথা বলেছিলেন, যেটা…</p><p>জিন গুয়াগং : হ্যা। সেটা আপনাকে অবশ্যই বলবো। তার আগে বলুন, আপনি কি মনে করেন, আপনার এই চায়না সফর সফল হয়েছে? আপনার সব আশা পূরণ করেছে?</p><p>বাপ্রম : আমার তো মনে হয় খুব সফল হয়েছে। অবশ্য শর্তটা জানলে আমি এই সাফল্য সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারতাম।</p><p>জিন গুয়াগং : আপনি কি ডিপ সিপোর্ট বা গভীর সমুদ্রবন্দর এবং চট্টগ্রাম থেকে মিয়ানমার হয়ে কুনমিং পর্যন্ত রোড ও রেল যোগাযোগ বিষয়ে আলোচনা করতে চান না? আপনাকে জানিয়ে রাখি আমরা মিয়ানমার, শ্রী লংকা এবং পাকিস্তানে ডিপ সিপোর্ট তৈরি করতে যাচ্ছি। আমাদের ইচ্ছা ছিল বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় একটা সিপোর্ট করে দেব।</p><p>বাপ্রম (চিন্তিত মুখে) : সেক্ষেত্রে এটা কি মনে হতে পারে না যে ইনডিয়াকে ঘিরে রাখার জন্য চারটি সিপোর্ট আপনারা করতে চান?</p><p>জিন গুয়াগং : সেটা ইনডিয়া মনে করতে পারে বৈকি। চট্টগ্রাম-কুনমিং রোড-রেল যোগাযোগ স্থাপিত হলে ইনডিয়া আরো মনে করতে পারে, বাংলাদেশ তাদের এড়িয়ে সরাসরি চায়নার সঙ্গে আরো ঘনিষ্ঠ স্ট্র্যাটেজিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চাইছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাও আশা করেছিলেন আপনি এই সেন্টিমেন্টের ঊর্ধে উঠে একটা দেয়াল নির্মাণ বিষয়েও আমাদের সাহায্য চাইবেন।</p><p>বাপ্রম : সেজন্যই কি তিনি দি গ্রেট ওয়াল সম্পর্কে এত তথ্য আমাকে দেন?</p><p>জিন গুয়াগং : হ্যা। আমরা জানি আপনার পার্টি ক্ষমতায় আসার পরে ফেব্রুয়ারি ২০০৯-এ ঢাকায় বিডিআর বিদ্রোহ হয়েছিল। তারপর থেকে বাংলাদেশের সীমান্ত প্রায় অরক্ষিত আছে। বিডিআর সদস্যদের নিরস্ত্র রাখা হয়েছে। আমরা অবশ্য এটাও জানি যে আপনি ফিরে গিয়ে কিছু অস্ত্র দেবেন। কিন্তু আমরা ভেবেছিলাম, ইনডিয়ার সঙ্গে সীমান্ত রক্ষা সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের জন্য দি গ্রেট ওয়ালের মডেলে একটা ওয়াল তৈরির জন্য আমাদের সাহায্য চাইবেন। ইনডিয়া কাটাতারের বেড়া দিচ্ছে। আপনারা পাথরের ওয়াল দিন। এতে দেশের সুরক্ষা হবে। চোরাচালান বন্ধ হবে। বিএসএফের গুলিতে আর বাংলাদেশি নিহত হবে না। চাই কি একটা টুরিস্ট এট্রাকশনও হতে পারে এই ওয়াল।</p><p>বাপ্রম : বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখতে হবে। এর সঙ্গে ইনডিয়া জড়িত। কিন্তু এখন বলুন সেই শর্তটা কি যার ওপরে নির্ভর করছে চুক্তিগুলোর বাস্তবায়ন।</p><p>জিন গুয়াগং : আপনি জানেন, আপনার পিতার শাসন আমলে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি চায়না। পাকিস্তানের সঙ্গে সুদীর্ঘকালের বন্ধু সম্পর্কের মূল্য দেয়ার কারণে আমরা একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করিনি। তারপর বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও আমরা স্বীকৃতি দেইনি। শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পরে আমরা স্বীকৃতি দিয়েছিলাম। তারপর জিয়াউর রহমান যখন বাংলাদেশের শাসক হন তখন চায়না-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন মোড় নেয়। জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে আমাদের দুই দেশের মধ্যে বন্ধু সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তিনি প্রয়াত হলেও আমরা তাকে শ্রদ্ধা করি।</p><p>বাপ্রম (মুখে গভীর বিরক্তির চিহ্ন) : আপনি জিয়াউর রহমানের কথা টেনে আনছেন কেন? শর্তের সঙ্গে ওই অখ্যাত মেজরটার সম্পর্ক কি?</p><p>জিন গুয়াগং : সম্পর্ক আছে বলেই তো বলছি। আপনি জানেন আধুনিক চায়নার রূপকার ছিলেন আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় নেতা দেং জিয়াও পিং। আপনি জানেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাও। আর কুনমিং এয়ারপোর্ট থেকে যখন দেশে ফিরবেন তখন লক্ষ্য করবেন চায়নার এই সপ্তম বৃহৎ এয়ারপোর্টের নাম কুনমিং উজিয়াবা এয়ারপোর্ট। আমরা জানি, জিয়া নামের প্রতি আপনার প্রচন্ড এলার্জি আছে। জিয়া নাম দেখলেই আপনি তা বদলে ফেলার নির্দেশ দেন। তাই আমাদের শর্ত থাকবে চায়না-বাংলাদেশের কোনো চুক্তিপত্র, সমঝোতাপত্র, স্মারকপত্র, সফরসূচি, কর্মসূচি প্রভৃতিতে দেং জিয়াও পিং, ওয়েন জিয়াবাও, উজিয়াবা এয়ারপোর্ট প্রভৃতি নাম বদলানো যাবে না, বাদও দেয়া যাবে না। বহু চায়নিজ নামের অচ্ছেদ্য অংশ জিয়া এবং সেটা বজায় রাখতে হবে। এটাই আমাদের একমাত্র পূর্বশর্ত।</p><p>লেখাটি <a
title="রাষ্ট্রীয় সফর সফল করার সহজ উপায়" href="http://opinion.bdnews24.com/bangla/2010/04/06/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9/" target="_blank">বিডিনিউজ মতামত বিশ্লেষণে</a> প্রকাশিত</p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=55&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/55.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>নরপশুদের পাথর নিক্ষেপে হত্যার অনুমতি চাই</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/49.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/49.html#comments</comments> <pubDate>Thu, 08 Apr 2010 13:27:59 +0000</pubDate> <dc:creator>ধানসিঁড়ি</dc:creator> <category><![CDATA[জীবন যাপন]]></category> <category><![CDATA[বাংলাদেশ]]></category> <category><![CDATA[সংবাদ]]></category> <category><![CDATA[নরপশু]]></category> <category><![CDATA[শিশু হত্যা]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/post-item/49.html</guid> <description><![CDATA[“ব্যভিচারিনী ও ব্যভিচারী উভয়ের প্রত্যেককে এক শত বেত্রাঘাত করো৷ আর আল্লাহর দীনের ব্যাপারে তাদের প্রতি কোন মমত্ববোধ ও করুণা যেন তোমাদের মধ্যে না জাগে যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান আনো ৷ আর তাদেরকে শাস্তি দেবার সময় মু’মিনদের একটি দল যেন উপস্থিত থাকে ৷ ব্যভিচারী যেন ব্যভিচারিনী বা মুশরিক নারী ছাড়া কাউকে বিয়ে না করে [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p>“ব্যভিচারিনী ও ব্যভিচারী উভয়ের প্রত্যেককে এক শত বেত্রাঘাত করো৷ আর   আল্লাহর দীনের ব্যাপারে তাদের প্রতি কোন মমত্ববোধ ও করুণা যেন তোমাদের   মধ্যে না জাগে যদি তোমরা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান আনো ৷ আর তাদেরকে   শাস্তি দেবার সময় মু’মিনদের একটি দল যেন উপস্থিত থাকে ৷ ব্যভিচারী যেন   ব্যভিচারিনী বা মুশরিক নারী ছাড়া কাউকে বিয়ে না করে এবং ব্যভিচারিনীকে যেন   ব্যভিচারী বা মুশরিক ছাড়া আর কেউ বিয়ে না করে ৷ আর এটা হারাম করে দেয়া   হয়েছে মু’মিনদের জন্য”। <a
href="http://www.islam.net.bd/index.php?option=com_tov&amp;task=showSurah&amp;surahId=24&amp;Itemid=54" target="_blank">সূরা  আন-নূর আয়াত ২-৩ </a></p><p>কতটা অসভ্য হলে, কতটা নির্মম হলে কাউকে নরপশু বলা যায়? বাংলা ভাষায়  নিকৃষ্ট মানুষকে বিশেষিত করার উপযুক্ত শব্দের বড়ই অভাব। কখনো কখনো মানুষ  অপরাধের এতটাই অতলে ঢুবে যায় যে তাকে নরপশু বলে বিশেষিত করলে পশুদেরও অপমান  করা হয়। মানুষ এতটাই নীচে নামতে পারে যে কুকুর কিংবা হায়েনার পক্ষে অতটা  অসভ্য হওয়াও অসম্ভব।</p><p>২ বছর ৯ মাস বয়স মেয়েটির। আধো আধো কথা বলে, বাবা বাবা বলে ঝাপিয়ে পরে  দরিদ্র রিক্সাওয়ালার বুকে। কতটুকু সময়ই বা কাছে পায় মা-বাবাকে? দারিদ্র্যের  কষাঘাতে জর্জরিত পরিবারটির বিকলাঙ্গ বাবা সূর্যোদয়ের সাথে সাথেই ছুটে চলে  রিক্সা নিয়ে অন্নের সন্ধানে। শিশু কন্যাকে রেখে মাও ছোটে ভদ্দরনোকদের  বাড়ীতে বাড়ীতে ছুটো কাজে। অবুঝ শিশু সারাদিন একাকি খেলে আপন মনে। বাবার  বয়সী কাউকে দেখলেই আনন্দে টগবগিয়ে ওঠে কোলে, বাবার বয়সী সবাই যেন ওর চাচ্চু  কিংবা মামা। পাড়ার মেয়েদের মায়ের মতোই আপন বলে মনে হয় শিশুটির।</p><p>কোন কিছুই গুছিয়ে বলার ক্ষমতা নেই ওর, শরীরের সব অঙ্গের নামও অজানা। কি  করে সৌচ কর্ম সারতে হয় তাও শেখা হয়নি, এখনো এসব কাজে মায়ের উপর নির্ভরশীল  মেয়েটি। দুধের শিশু, এখনো ভাতের মতো শক্ত খাবারও হজম করতে অভ্যস্ত নয়  পাকস্থলী, তবু অনেক কিছুই হজম করতে হয় এ বয়েসী মেয়েদের।</p><p>সমাজে অনেক নরপশু আছে যারা এমন নিষ্পাপ শিশুদের দেখলেই সবার সামনে আম্মু  আম্মু বলে কোলো তুলে চুমো খায়, আবার আড়ালে পেলেই শিশুদের মাঝেও খুঁজে পায়  বিকৃত যৌনাচারের উপকরণ। এমনই অসভ্য পশুর লালসার শিকার হলো রাজধানীর  উত্তরখানের নিষ্পাপ অবুঝ শিশু। যৌনাচার শব্দের সাথে পরিচিত নয় শিশুটি, মেয়ে  কিংবা ছেলে কিনা তাও তার অজানা। অথচ যে শিশু এখনো দুধ খাওয়া ছাড়েনি সে  শিশুকেই রক্তাক্ত করেছে মানুষ নামের অসভ্য জানোয়ার। মানুষ নামের হায়েনার  জন্য পুরো মানব জাতিই আজ ওর কাছে আতঙ্কের বিষয়। মানুষের মতো হিংস্র পশু  দেখলেই চিৎকার করে মুখ লুকোয় মায়ের বুকে। জীবনের শুরুতেই যে শিশু মুখোমুখি  হায়েনার সাথে, কি করে সে স্বাভাবিকভাবে টিকে থাকবে মানুষের মাঝে?</p><p>বাংলাদেশের আনাচে কানাচে প্রতিনিয়ত এভাবেই যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে  মানসিক ভারসাম্যহীন ভবিষ্যত প্রজন্ম বেড়ে উঠছে। পিশাচের হাত থেকে মুক্তি  মেলে না দু বছরের শিশু হতে শুরু করে ষাটোর্ধ বৃদ্ধাদেরও। জানোয়ারদের মাথা  নেই, হৃদয় নেই, বিবেকের স্থান নেই, সর্বশরীরটাই যেন ফনা তোলা বিষাক্ত  কালকেউটে সাপ।</p><p>শিশুরা যৌনাচারের অর্থ জানে না, যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েও কাউকে কিছুই  বলতে পারে না। কি বলবে ওরা, ধর্ষণের মতো কেতাবী শব্দ শিখতে হলেও তো অন্তত ছ  বছর বয়স হওয়া চাই, ছ বছরের আগেতো স্কুলেও ভর্তি নেয়া হয় না।</p><p>স্কুলেও নিরাপদ নয় কন্যা শিশুরা। নিরাপদ নয় ছেলেরাও। <a
href="http://www.amardeshonline.com/pages/details/2010/04/08/26358" target="_blank">শিক্ষকের হাতে</a> বিকৃত যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ  হারাতে হয় অনেককেই। শিশুরা নিরাপদ নয় ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও। <a
href="http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=113974&amp;cid=2&amp;aoth=1" target="_blank">মাদ্রাসার শিক্ষকের</a> বিকৃকির শিকার হয় অনেকে। শিক্ষা  প্রতিষ্ঠানগুলো যৌন নির্যাতনে কলঙ্কিত হয়েছে বারেবার। <a
href="http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?cid=10&amp;id=124037&amp;hb=3" target="_blank">বিশ্বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের যৌন নির্যাতন</a> এখন অনেকটাই  স্বাভাবিক বিষয়। বিশ্ববদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার চেয়েও  বোধহয় যৌনকলায় পারদর্শিতা সর্বাগ্রে বিবেচ্য।</p><p>শিশুরা বলতে পারে না, তাই ওরাই যৌন নির্যাতনের প্রথম টার্গেটে পরিণত হয়,  শিশুদের উপর যৌন নির্যাতনের খবরও থেকে যায় খবরের আড়ালে। শিশুদের উপর সহজেই  জোর করা যায়, ভয় দেখানো যায়, ভুলিয়ে ভালিয়ে রক্তাক্ত করে মৃত্যুর মুখে  ঠেলে দেয়া যায়। শিশুরা আজ নিরাপদ নয় বাবার কোলেও, নিরাপদ নয় ওরা  নিরাপত্তারক্ষী পুলিশের হাতেও। হায়েনাদের হাত থেকে আজ নিস্তার মেলে না  মানষিক প্রতিবন্ধী, বিকলাঙ্গ কিংবা বধির শিশুদেরও।</p><p>যৌন নির্যাতনে পিছিয়ে নেই ধর্ম যাজকেরা। <a
href="http://www.dailykalerkantho.com/print_news.php?path=data_files/119&amp;cat_id=1&amp;menu_id=60&amp;news_type_id=1&amp;index=3" target="_blank">ইশ্বরের  দোহাই দিয়ে ভাষাহীন শিশুদের উপরও চালানো হয় যৌন  নির্যাতন</a>। ধর্মের নামে দেশে দেশে খৃষ্টীয় ক্ষুধার্ত <a
href="http://www.dw-world.de/popups/popup_printcontent/0,,5053690,00.html" target="_blank">ধর্ম যাজকেরা চালায় বিকৃত যৌনাচার</a>।  যৌন বিকৃতি থেমে  নেই নিদিষ্ট কোন ধর্মের মাঝে, ছড়িয়ে পড়েছে মহামারি আকারে বিশ্বব্যাপী। <a
href="http://khelarkhobor.com/index.php?option=com_content&amp;view=article&amp;id=2467:2010-03-31-21-42-48&amp;catid=63:international-news&amp;Itemid=127" target="_blank">হিন্দু ধর্ম গুরুদের বিরুদ্ধেও যৌন নির্যাতনে মামলার</a> খবর প্রকাশিত হয় পত্রপত্রিকায়।  পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে ৫৩ . ২২% শিশু যৌন  নিগ্রহের শিকার, স্বীকার করেছে সরকারী জরিপ। বাংলাদেশে সরকারী তেমন কোন  জরিপের খবর শুনিনি, <a
href="http://www.breakingthesilencebd.org/bangladesh.php" target="_blank">বেসরকারী জরিপে</a> উঠে আসছে শিশুদের যৌন নির্যাতনের ভয়ংকর  চিত্র। বাংলাদেশের শিশুদের অবস্থাও যে ভারতীয়দের চেয়ে খুব একটা সুবিধেজনক  নয় তা সহজেই অনুমান করা যায়। বিশেষ করে <a
href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=19&amp;dd=2010-01-26&amp;ni=6618" target="_blank">ছিন্নমূল  পথ শিশু</a>র অর্ধেকেরও বেশী যৌন নির্যাতনে  বিপর্যস্ত। বিকৃত যৌনাচারে আক্রান্ত হয়ে ওরা পরিণত হচ্ছে মরণব্যাধী এইডসের  শিকারে।</p><p>অথচ এ থেকে পরিত্রানের কোন লক্ষণ নেই। বিশ্বব্যাপী যৌনাচার বিরোধী  আন্দোলন গড়ে উঠছে, পাশাপাশি বেড়ে যাচ্ছে অবাধ যৌনাচারকে উস্কে দেয়া উপায়  উপকরণ। পত্রপত্রিকা, রেডিও টেলিভিশন, ইন্টারনেট সবকিছুতেই যৌনতার হাতছানি।  মিডিয়াগুলো যৌন সুড়সুড়ি ছাড়া একটা শেভিং ক্রিমের বিজ্ঞাপন দিতেও যেন অক্ষম।  যে শিশুদের আদরে আদরে ভরিয়ে দিতে মনপ্রাণ হয়ে ওঠে উতলা, যে শিশুদের  নিষ্পাক মুখের দিকে তাকিয়েই পার করে দেয়া যায় প্রহরের পর প্রহর, সেই  শিশুদেরকেও মিডিয়া উপস্থাপন করে যৌনউদ্দীপক উপকরণ হিসেবে। ক্যামেরা জুড়ে  তুলে ধরা হয় হামাগুড়ি দেয়া শিশুর পাছা, বিজ্ঞাপনটি পুরো না দেখলে বুঝা  কষ্টকর এটি আসলে নীলছবির প্রদর্শণী না কি কোন নিষ্পাপ শিশুর ছবি। যে  বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান শিশুদেরকে কামোদ্দীপকভাবে উপস্থাপন করেছে অমন পশুদের  পক্ষেই সম্ভব দুধের শিশুদেরকে যৌন নির্যাতনে বাধ্য করা।</p><p>সামাজিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ, সর্বোপরি সাধারণ মানবিকগুণাবলীও  আমাদের মাঝ থেকে বিদেয় নিয়েছে। আমরা এসব মূল্যবোধগুলো ফিরিয়া আনার পরিবর্তে  পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিতে  তৎপর। যে ব্রিটিশরা হাজার হাজার শিশুকে জোর করে বিভিন্ন <a
href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-02-25/news/44768" target="_blank">কলোনী রাষ্ট্রে নির্বাসিত করে যৌনাচারে</a> বাধ্য করেছে  তাদের শেখানো পথে আমরা আমাদের শিশুদের ঠেলে দেই নিকষ আঁধারে।</p><p>বাংলাদেশের শিশুদেরকে যদি অন্ধকারে থেকে আলোর পথে ফেরাতে হয় তবে তাদেরকে  অবশ্যই নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। তাদের শেখাতে হবে আলোকিত  মানুষের কথা, জাগ্রত করতে হবে ন্যায় অন্যায় বোধ। শেখাতে হবে তাদের পাপ  পূণ্যের কথা, বেহেস্ত দোজখের কথা। আইনের শাসনের অভাবে দেশে ন্যায় অন্যায়ের  কোন মূল্য নেই, ঠিকই বুঝে নেবে একটু বড় হলেই, তাই আইনের শাসনের মুলোতে  শিশুরা আলোকিত হতে পারে না, ওদের আলোকিত মানুষ হতে অবশ্যই ধর্মীয় ও নৈতিক  শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে।</p><p>অবাধ যৌনাচার বন্ধ করতে হবে, বন্ধ করতে হবে যৌনতাকে উস্কে দেয়ার যাবতীয়  উপকরণ, কামোদ্দীপক বিজ্ঞাপন, পত্রপত্রিকার অশ্লীল ছবি। পাপমুক্ত সুন্দর  সমাজ নির্মানে অবশ্যই শরীয়াহ আইন চালুর ব্যাপারে সবাইকে জনমত গড়ে তুলতে  হবে। আপাত শরীয়াহ আইন পুরোপুরি চালু করা যদি সম্ভবপর নাও হয় তবু কয়েকটি  মৌলিক অপরাধের জন্য বিশেষ করে ধর্ষণ ও হত্যার ক্ষেত্রে শরীয়াহ আইন চালু করে  এ আইনের প্রয়োজনীয়তা যাচাই করা যেতে পারে।</p><p>যারা ইসলামের কথা বলেন, ইসলামী রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেন, শরীয়াহ আইন  বাস্তবায়নের আশায় দিন গোনেন তারা যদি ধর্ষণের মতো পাপাচার প্রতিরোধে শরীয়াহ  আইন চালুর দাবীতে সোচ্চার হন তাহলে গণতান্ত্রিক সরকারের মাধ্যমেও তা  বাস্তবায়ন করা সম্ভব হতে পারে।</p><p>আর আলেম সমাজকে অবশ্যই ফিরে আসতে হবে ইসলামের মূল ধারায়। অপ্রিয় হলেও  সত্য যে ইসলামের প্রধান শত্রুই এখন দুনিয়াপুজারী আলেম সমাজ। আলেম সমাজকে  অবশ্যই তওবা করে ফিরে আসতে হবে আল্লাহর আশ্রয়ে। আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত  শাস্তি আধুনিক বিশ্বে যত মানবতাবিরোধীই মনে হোক না কেন, যত কঠোরই মনে হোক  না কেন, শরীয়াহ আইন বাস্তবায়নে তাদেরকে অবশ্যই ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখতে হবে।  নয়ত অবাধ যৌনাচারের সামাজিক ব্যধির কারনে যদি আল্লাহর ফায়সালা নেমে আসে তবে  তার জন্য মূলত দায়ী হবেন আলেমরাই।</p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=49&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/49.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> <item><title>হাসিনা সরকার দেশটাকে কোথায় নিয়ে যেতে চায়?</title><link>http://www.palabadal.com/post-item/47.html</link> <comments>http://www.palabadal.com/post-item/47.html#comments</comments> <pubDate>Wed, 07 Apr 2010 16:32:47 +0000</pubDate> <dc:creator>পালাবদল</dc:creator> <category><![CDATA[রাজনীতি]]></category> <category><![CDATA[আওয়ামীলীগ সরকার]]></category> <category><![CDATA[হাসিনা সরকার]]></category> <guid
isPermaLink="false">http://www.palabadal.com/?p=47</guid> <description><![CDATA[&#8211; সিরাজুর রহমান বিবিসিতে আমি চাকরি করেছি ৩৪ বছর। শেষ চার বছর বাদে এই গোটা সময় দক্ষিণ আফিন্সকা অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক খবর ছিল। সে দেশের সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গ আফিন্সকানরা (ওলন্দাজ ঔপনিবেশিক) সংখ্যাগুরু কৃষäাঙ্গ আফিন্সকানদের পদদলিত করে রাখার লক্ষ্যে ১৯৪৯ সাল থেকে অ্যাপার্থাইড (স্বতন্ত্রীকরণ, বিচ্ছিন্নতাবাদ) নামে একটা ন্যক্কারজনক আইন চালু করেছিল। কালোরা নিজেদের দেশে প্রতি মুহূর্তে অপমানিত [...]]]></description> <content:encoded><![CDATA[<p><strong>&#8211; সিরাজুর রহমান</strong></p><p>বিবিসিতে আমি চাকরি করেছি ৩৪ বছর। শেষ চার বছর বাদে এই গোটা সময় দক্ষিণ আফিন্সকা অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক খবর ছিল। সে দেশের সংখ্যালঘু শ্বেতাঙ্গ আফিন্সকানরা (ওলন্দাজ ঔপনিবেশিক) সংখ্যাগুরু কৃষäাঙ্গ আফিন্সকানদের পদদলিত করে রাখার লক্ষ্যে ১৯৪৯ সাল থেকে অ্যাপার্থাইড (স্বতন্ত্রীকরণ, বিচ্ছিন্নতাবাদ) নামে একটা ন্যক্কারজনক আইন চালু করেছিল। কালোরা নিজেদের দেশে প্রতি মুহূর্তে অপমানিত হচ্ছিল। কালোরা শ্বেতাঙ্গ বসতি এলাকায় বাস করার অধিকার হারাল। শ্বেতাঙ্গরা যেসব বাস বা ট্রেনের কামরায় চড়ত, কালোদের সেখানে চড়ার অধিকার ছিল না। শ্বেতাঙ্গদের শৌচাগার ব্যবহার, এমনকি একই কল বা নলকূপ থেকে পানি খাওয়াও কালোদের জন্য নিষিদ্ধ ছিল।<span
id="more-47"></span></p><p>বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়, কালোরা শিক্ষা-দীক্ষায়, চাকরি-বাকরিতে উপেক্ষিত ছিল। তারা শ্বেতাঙ্গদের খামারে চাকর ও মজুরের কাজ করত, চাকরি ছেড়ে যাওয়ার অধিকারও তাদের ছিল না। পালানোর চেষ্টা করার ‘অপরাধে’ বহু কালো মানুষ সাদা মুনিবদের গুলি খেয়ে প্রাণ হারিয়েছে। শ্বেতাঙ্গ মালিকরা হিংস্র শিকারি কুকুর লেলিয়ে দিয়েছে তাদের ওপর। কালোরা গোড়া থেকেই প্রতিবাদ করেছে, কিন্তু আইন-আদালত-পুলিশ সব কিছু ছিল শ্বেতাঙ্গদের নিয়ন্ত্রণে। কালোদের সভা-সমাবেশ-মিছিল পুলিশ ছত্রভঙ্গ করেছে­ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে কিংবা গুলি করে। বেশির ভাগ সভা-মিছিলে কিছু না কিছু কালো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। শ্বেতাঙ্গ আদালতে কালোদের অভিযোগ প্রায়ই গ্রহণ করা হতো না।</p><p>পুলিশি হত্যাকাণ্ডের জঘন্যতম ঘটনা ঘটেছিল ১৯৬০ সালের ২১ মার্চ। জোহানেসবার্গের কাছে শার্পভিলে কৃষäাঙ্গদের এক সমাবেশে গুলি চালিয়ে পুলিশ ৬৯ জনকে হত্যা করে, আহত হয় আরো অন্তত ২০০ কৃষäাঙ্গ। ছাত্রনেতা ও ‘ব্ল্যাক কনশাসনেস’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ড. স্টিভ বিকো পুলিশি রিমান্ডে মারা যান ১৯৭৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর। তার কিছু হাড় ভেঙে গিয়েছিল, মাথা থেঁতলে মগজ বেরিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শ্বেতাঙ্গদের ময়নাতদন্তে রায় দেয়া হয়, বিভিন্ন দেয়ালে তিনি মাথা ঠুকছিলেন বলেই এসব আঘাত পেয়েছেন।</p><p>বিভিন্ন কৃষাঙ্গ আন্দোলন গড়ে ওঠে শ্বেতাঙ্গদের এসব অত্যাচারের বিরুদ্ধে। সেসব আন্দোলনের মধ্যে প্রধান ছিল আফিন্সকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (এএনসি)। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরকারি নিপীড়ন ক্রমেই বেশি কঠোর হতে থাকে। ১৯৬৪ সালের ১৪ জুন নেলসন ম্যান্ডেলা এবং এএনসি’র আরো আটজন নেতাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে জনমানবহীন রোবেন দ্বীপে নির্বাসনে পাঠানো হয়।</p><p>এসব বর্বর ঘটনায় সারা বিশ্বের মানুষ শিউরে উঠেছিল। দক্ষিণ আফিন্সকার শ্বেতাঙ্গ শাসকদের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করার জন্য বিশ্বময় দাবি ওঠে। মার্কিন ও ব্রিটিশ সরকার অবরোধ আরোপ করতে অস্বীকার করায় দক্ষিণ আফিন্সকার অত্যাচারী শ্বেতাঙ্গ শাসকরা পার পেয়ে যাচ্ছিলেন। বিশেষ করে টোরি দলীয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার নির্লজ্জভাবে দক্ষিণ আফিন্সকা সরকারকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছিলেন বলে ব্রিটিশ যুবসমাজ খুবই ক্ষুব্ধ হয়। শেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনে ছাত্র-জনতা অ্যাপার্থাইড নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদস্বরূপ এবং দক্ষিণ আফিন্সকার বিরুদ্ধে অবরোধের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। লন্ডনের ট্রাফালগার স্কোয়ারেও এ জাতীয় অনেক সমাবেশ হয়। অর্থাৎ দক্ষিণ আফিন্সকাকে ঘিরে প্রায়ই নানা রকম ঘটনা ঘটেছে বিশ্বময়। বিবিসি থেকে সেসব খবর আমরাও প্রচার করেছি নিয়মিত।</p><p><strong>ম্যান্ডেলার মুক্তি</strong></p><p>দক্ষিণ আফিন্সকার শ্বেতাঙ্গরা অবশেষে পরাজয় স্বীকার করে ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি। বিশ্বজোড়া চাপের মুখে শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ক নেলসন ম্যান্ডোলাকে মুক্তি দেন। সে বছরের শেষের দিকে ডি ক্লার্ক অ্যাপার্থাইড আইন বাতিল করেন।</p><p>ম্যান্ডেলার মুক্তিতে বিশ্বজোড়া উল্লাস সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু বিশ্বের চিন্তাশীল মানুষ উদ্বিগ্নও হচ্ছিলেন একই সাথে। ৪১ বছরের বর্ণবাদী অত্যাচারে ধীর রক্ত ক্ষরণের মতো প্রায় অবিরাম কালো লোক হত্যা করা হয়েছে। মোট যোগফল কেউ প্রকাশ করেছে বলে জানি না, তবে নিশ্চয়ই বহু হাজার হবে। তার চেয়েও বড় কথা, অর্ধশতাব্দীর পুঞ্জীভূত অপমান সে দেশের প্রতিটি কালো মানুষের মনের রìেধন্স রìেধন্স গেড়ে বসেছিল। অনেকেই ভয় করছিলেন বাঁধভাঙা জোয়ারের মতো সে অপমান, সে ক্রোধ ফেটে পড়বে, সাদা লোকের রক্তে দক্ষিণ আফিন্সকায় রক্তগঙ্গা বইবে।</p><p>সৌভাগ্যবশত সেটা হয়নি। হয়নি এ জন্য যে, দু’জন মানুষের মধ্যে মহান মনুষ্যত্ব ও মহান নেতৃত্বের উপযুক্ত সংমিশ্রণ ঘটেছিল। তারা হচ্ছেন­ নেলসন ম্যান্ডেলা স্বয়ং এবং কৃষাঙ্গ ধর্মযাজক আর্চ বিশপ ডেসমন্ড টুটু। দক্ষিণ আফিন্সকার সাধারণ মানুষ আশা করেছিল, ম্যান্ডেলা রাষ্ট্রপতির পদ গ্রহণ করবেন। কিন্তু তিনি গোড়ায় সে পদ গ্রহণ করেননি, তাকে যারা ২৬ বছর কারাগারে রেখেছিল, সেই শ্বেতাঙ্গদের প্রতিনিধি এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ককেই তিনি রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থাকতে অনুরোধ করেন। ম্যান্ডেলা দেশের সর্বত্র সফর করেছেন, সভা-সমিতি করেছেন। সর্বত্রই তিনি অতীতের তিক্ততা ভুলে এবং সাদা-কালো সবাই মিলে দেশ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।<br
/> সমঝোতা সৃষ্টিতে এগিয়ে এসেছিলেন আর্চ বিশপ টুটুও। তিনি ‘ট্রুথ অ্যান্ড কনসিলিয়েশন কমিশন’ গঠন করেন। টুটু ঘোষণা করেন, এ কমিশন আদালত নয়, এখানে কাউকে দণ্ড দেয়া হবে না। তবে যারা অপরাধ করেছে তারা এসে সেখানে নিজেদের দোষ স্বীকার করবে, ক্ষমা প্রার্থনা করবে। যাদের বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে অথবা যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আত্মীয়-পরিজনও কমিশনে উপস্খিত থাকবেন। দোষীদের স্বীকারোক্তি ও ক্ষমা প্রার্থনা থেকে তারা সান্তবনা পাবেন, শোক ভুলতে পারবেন। সাবেক শাসক ও কর্মকর্তাসহ বহু শ্বেতাঙ্গ সত্য ও সমঝোতা কমিশনে স্বীকারোক্তি করেছেন, ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন। এমনকি সাবেক রাষ্ট্রপতি এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্কও এসেছিলেন সে কমিশনে।</p><p><strong>সমবায়ে দেশ গঠন </strong></p><p>ম্যান্ডেলা ও আর্চ বিশপ টুটুর উদ্যোগে দক্ষিণ আফিন্সকায় সমঝোতা এসেছে। সাদা-কালো সবাই মিলে দেশ গঠনের কাজে মনোযোগ দিয়েছে। দক্ষিণ আফিন্সকা এখন উন্নতির পথে। শ্বেতাঙ্গ আফিন্সকানরা দেশ ছেড়ে যায়নি। বরং ব্রিটেনসহ উত্তর ইউরোপের বহু মানুষ এখন দক্ষিণ আফিন্সকায় বসতি করতে যাচ্ছে। মার্গারেট থ্যাচারের পুত্র মার্কও সপরিবারে বসতি করেছিলেন সে দেশে (পরে অবশ্য ভাড়াটে সৈনিক দিয়ে একটি আফিন্সকান দেশে সরকার উৎখাত করার চেষ্টার দায়ে তিনি বহিষ্কৃত হন)। বর্ণগত অশান্তির কথা এখন আর শোনা যায় না দক্ষিণ আফিন্সকায়।</p><p>নেলসন ম্যান্ডেলা তার সাবেক আটককারী ডি ক্লার্কের সাথে ভাগ করে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। সে পুরস্কার পেয়েছেন আর্চ বিশপ টুটুও। ম্যান্ডেলার বয়স এখন ৯২ বছর। তবু মাঝে মধ্যে তিনি দেশ-বিদেশ সফর করেন, সর্বত্র শান্তি ও সমঝোতার কথা বলেন। কোনো দেশে তার সমালোচনা নিষিদ্ধ করে আইন হয়নি, তাকে সম্মান দেখানোও বাধ্যতামূলক করা হয়নি কোথাও। তবু সারা বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ মনে মনে তাকে বর্তমান বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম মানুষ বিবেচনা করে। এটা তার নিজের রাজনৈতিক দল এএনসি’র বিতর্কিত দান নয়।</p><p>এককালে আমার শ্রদ্ধেয় মুজিব ভাই সম্বìেধও সে রকম আশা আমি করতাম। বিশেষ করে ১৯৭৩ সালের বিজয় দিবসে রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে জাতির উদ্দেশে তার বেতার ভাষণের পরে মুক্তিযুদ্ধের যারা বিরোধিতা করেছিল অথবা দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর সাথে সহযোগিতা করেছিল, তাদের সবার জন্য তিনি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। স্মরণীয় যে, পাকিস্তান থেকে দেশে ফেরার কয়েক দিন পর ২৪ জানুয়ারি তিনি দালাল আইন নামে একটা অধ্যাদেশ জারি করেন। ৩৭ হাজার অভিযুক্ত ব্যক্তির একটা তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। ২৮ মার্চ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের মধ্যে ২৪৪৮ জনের বিচার সমাপ্ত হয়। চিকন আলী নামে এক ব্যক্তিকে প্রাণদণ্ডসহ ৭৫২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়, বেকসুর খালাস পায় ২০৯৬ জন।</p><p>সমঝোতা ও মার্জনা কিন্তু ১৯৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বরের বেতার ভাষণে শেখ মুজিব তাদের সবার জন্য সাধারণ ক্ষমা (অ্যামনেস্টি) ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘দেশের সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাদের আবার স্বাভাবিক জীবনযাপনের সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।’ শুধু কি তাই? ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্যের বিশাল বাহিনী বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছিল, শেখ মুজিবের উক্তি মতো ৩০ লাখ মানুষ তারা হত্যা করেছে, বহু হাজার নারীর ওপর তারা নারকীয় নির্যাতন করেছে। কিন্তু সমঝোতা প্রতিষ্ঠার আশায় মুজিব তাদেরও ক্ষমা করে দেন। উপরোল্লিখিত ভাষণে তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের চেষ্টা আমরা করছি। এমনকি মানবতাবিরোধী জঘন্য অপরাধের জন্য যাদের বিচার হওয়ার কথা ছিল, সেসব যুদ্ধাপরাধীকেও আমরা মার্জনা করে দিয়েছি।’</p><p>দুর্ভাগ্যবশত পরবর্তীকালে শেখ মুজিবের সে ইমেজ বজায় থাকেনি। আমি বরাবর বলেছি, কিছু দুষ্ট লোকের খপ্পরে তিনি পড়েছিলেন। তারা কোন সৎ পরামর্শ তার কানে পৌঁছতে দেয়নি। বাংলাদেশে এখন ঢাকঢোল পিটিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আয়োজন করা হচ্ছে। কিন্তু বিচার কাদের হবে? ১৯৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর শেষ মুজিব যাদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন তাদের? তাই যদি হয়, তাহলে সেই ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্যের বিচার আগেই কি হওয়া উচিত ছিল না? মুজিব যে ক্ষমা ঘোষণা করেছিলেন, সেটা কি নিতান্তই অর্থহীন ছিল? অথচ এসব বিচার হচ্ছে শেখ মুজিবের নামে এবং তার কন্যার নির্দেশে। জাতির পিতার প্রতি কী সম্মানই না আমরা দেখাচ্ছি!<br
/> অনুগ্রহ করে কেউ আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমার মনে হয়, শেখ মুজিবকে আমি তার কন্যার চেয়ে বেশি ভালো বুঝতাম। অন্যায়ের-অপরাধের বিচার আমারও কাম্য। কিন্তু বিচার কেনো চাই? কী প্রয়োজন বিচারের? ইতিহাসের আদিকাল থেকে যারা আইন করেছেন, বিচার পদ্ধতি চালু করেছেন, তাদের সবারই কতগুলো অভিন্ন উদ্দেশ্য ছিল। সেগুলো হচ্ছে : মানুষ বরাবরই শান্তিতে বাস করতে চেয়েছে; সমাজে শৃঙ্খলা ও শান্তি বজায় রাখতে চেয়েছে। সমাজের বৃহত্তর শান্তি বিচারের প্রথম ও প্রধান প্রয়োজন। অর্থৎ বিচার মানুষের জন্য, সমাজের জন্য­ সমাজ কিংবা মানুষ বিচারের জন্য নয়। অথচ আজকের বাংলাদেশে হচ্ছে কী? ইতোমধ্যেই বিচারের যে তালিকা সরকারি ও বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা হচ্ছে, সেগুলো সুসমাধান করতে অন্তত আরো এক যুগ সময়ের প্রয়োজন হবে।</p><p>একটি সামরিক অভ্যুথানে শেখ মুজিবুর রহমান পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যসহ নিহত হয়েছেন। বিশ্বসমাজের রীতি এই যে, সামরিক অভ্যুথান সফল হলে বাস্তবতার খাতিরে সেটাকে মেনে নেয়া হয়। ৩৫ বছর পর সফল সামরিক অভ্যুথানের বিচারের দৃষ্টান্ত অন্তত আমার জানা নেই। তবু একটা আধ খেঁচড়া বিচার সমাধা হয়েছে, দোষী সাব্যস্ত কয়েক ব্যক্তিকে কালবিলম্ব না করে ফাঁসিও দেয়া হয়েছে। আধ খেঁচড়া বলছি এ জন্য যে, দোষী সাব্যস্ত অন্য কয়েক ব্যক্তি এখনো এ সরকারের নাগালের বাইরে আছেন। পৃথিবীর বহু দেশে এখন প্রাণদণ্ড নিষিদ্ধ, গ্রহণের অযোগ্য। বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট ফেরারি ব্যক্তিরা যদি সেগুলোর কোনো একটাতে থাকেন, তাহলে তাদের হয়তো বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হবে না। একটা দৃষ্টান্ত আমি দিতে পারি। সন্ত্রাসের দায়ে দোষী সাব্যস্ত একজন আলজেরীয় নাগরিক ব্রিটেনের সর্বাধিক নিরাপত্তা বেষ্টিত বেলমার্শ কারাগারে আটক আছেন। তাকে প্রাণদণ্ড না দেয়ার গ্যারান্টি আলজেরীয় সরকার দেয়নি বলে লোকটিকে সে দেশের সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে ব্রিটিশ সরকার অস্বীকার করছে।</p><p><strong>মুজিব বনাম কামরুল ইসলাম</strong></p><p>শেখ হাসিনার প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা ছাড়া কী লাভ হয়েছে সে বিচারে? নিহতদের কেউ আর ফিরে আসবেন না। সে হত্যার জের ধরে আরো বহু হত্যা হয়েছে। তবু দেশের মানুষ মোটামুটি একটা শৃঙ্খলায় ফিরে এসেছিল। তারা আশা করেছিল, এবারে হয়তো শান্তি-সমঝোতা ও একতার ভিত্তিতে এই মন্দভাগ্য দেশটার উন্নতির কাজ এগিয়ে যাবে। বিচারের নাম করে শেখ হাসিনা ও তার দল সে একতার সম্ভাবনা আরো বহু বছর পিছিয়ে দিয়েছে। লোকসান হাসিনার কিংবা আওয়ামী লীগের হয়নি, হয়েছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের।</p><p>এখন আবার মুজিবের ক্ষমা ঘোষণার সরাসরি বিরোধিতা করে যুদ্ধাপরাধীদের অথবা ‘যুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী কার্যকলাপের’ বিচার হবে। জাতির পিতা শেখ মুজিবের ক্ষমা ঘোষণার কোনো দাম নেই, কিন্তু থার্ডক্লাস কামরুল ইসলাম এ যাবৎ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সোয়া তিন হাজারেরও বেশি দুর্নীতির মামলা ক্ষমা করে দিয়েছেন। তা ছাড়া কী লক্ষ্য আর কী উদ্দেশ্য এ বিচারের? আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ ঘোষণা করলেন, আদালতে দোষী প্রমাণিত হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা যাবে না। একই দিন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী হিংস্রভাবে দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে নাম ধরে তালিকা দিলেন কাকে কাকে তিনি ফাঁসি দিতে চান। আগে থেকেই তিনি নির্দেশ দিয়ে দিলেন আদালতকে। মনে হতে পারে, একটা শ্মশান-নৃত্যের অভিনয় হচ্ছে বাংলাদেশে। আওয়ামী লীগ সরকারে বিকৃত রুচির কিছু মন্ত্রী আছেন।</p><p>হাসিনার পিতার হত্যার মামলা হয়েছে, কয়েকজনকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পিতাও নিহত হয়েছিলেন জেল হত্যার ঘটনায়। আশরাফুল ইসলাম কম যান কিসে? তিনিও জেল হত্যার বিচার চান, কিছু লোককে ফাঁসি না দিলে তারও বোধ হয় ঘুম হচ্ছে না। ২০০৪ সালে হাসিনার জনসভায় বোমা হামলা হয়েছিল, কয়েকজন লোক তাতে নিহত হয়েছিলেন। হাসিনা সে ঘটনার দায়েও কিছু লোককে ফাঁসিতে ঝোলাতে চান। বিশিষ্ট কূটনীতিক ও পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ নেতা কিবরিয়া হত্যার বিচারের কথাও বলছেন কেউ কেউ। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটা কথা ব্যাপক প্রচলিত : ‘নাতি খাতি বেলা গেল শুতি পারলাম না’। বংলাদেশের অবস্খাটা হয়েছে বিচারের পর বিচার হবে, এভাবেই আরো গুটি দুই প্রজন্ম কেটে যাবে। স্বাধীনতার আস্বাদ পাওয়ার সুযোগ পেল না দেশবাসী।</p><p><strong>বিচার বনাম বাস্তবতা</strong></p><p>গত বছরের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারির বিডিআর বিদ্রোহ কেন হয়েছিল, পেছনে থেকে কারা সে বিদ্রোহ ঘটিয়েছিল, সেসব তদন্ত শেষ হচ্ছে না, খুব সম্ভবত হবেও না। অর্থাৎ প্রকৃত অপরাধীরা সাজা পাবে না। কিন্তু ইতোমধ্যে শয়ে শয়ে জওয়ানের বিচার হচ্ছে, শয়ে শয়ে লোকের হয়তো শাস্তিও হবে।<br
/> সাধারণ অঙ্কের কিছু হিসাব করতে অনুরোধ করছি আপনাদের। এতগুলো মামলায় শাস্তি পেয়েছে অথবা পাবে কত লোক? বাংলাদেশে একেকজন মানুষের আত্মীয় এবং বìধু কতজন? যারা শাস্তি পেয়েছে, যারা শাস্তি পেতে পারে এবং যাদের শাস্তির ভয় দেখানো হচ্ছে, তাদের সবার মোট আত্মীয়স্বজন কিংবা বìধু কতজন হতে পারে? এরা সবাই কি শেখ হাসিনা কিংবা তার সরকারের ওপর সন্তুষ্ট? তা যদি না হয়, তাহলে কি বলা চলে যে, বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্যসংখ্যক (এবং সক্রিয়) মানুষও সরকারের ওপর ক্রুদ্ধ?</p><p>তার ওপর দেশের সাধারণ অবস্খাও দেখুন। বিদ্যুতের অভাবে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত। কৃষককে সেচের জন্য বিদ্যুৎ দিতে সার কারখানাগুলো বìধ করে দেয়া হয়েছে। তাহলে পরের মৌসুমে ফসল ফলানোর জন্য সার আসবে কোথেকে? শেখ হাসিনা ও তার মন্ত্রীরা কথায় কথায় দোষ দিচ্ছেন বিএনপি সরকারকে­ যে সরকার ক্ষমতা ছেড়েছে সাড়ে তিন বছর আগে। মাঝের দুই বছর ফখরুদ্দীন-মইন উ সরকার গদিতে ছিল। তাদের সমালোচনা করার সাহস হাসিনার নেই কেন? তার পর থেকে হাসিনাও গদিতে বসেছেন দেড় বছর হতে চলল। এই দীর্ঘ সময়ে কি ক্ষমতাসীনরা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছিলেন? এত দিন পরেও বিএনপি সরকারের ওপর সব দোষ চাপাতে তাদের লজ্জা করে না? তা ছাড়া বিএনপি সরকারের আমলে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ও গ্যাস মানুষ পাচ্ছিল সেটাও কেন দিতে পারছে না এ সরকার?<br
/> গ্যাসের প্রমাণিত মওজুদ শেষ হয়ে আসছে­ এ হুঁশিয়ারি আগেও দেয়া হয়েছিল। এমনকি হাসিনা যখন আগেরবার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখনো। এই বন্যার দেশে পানীয় জলের অভাবে কারবালার মতো অবস্খা হয়েছে। পানি সমস্যার কথাও কমসে কম এক যুগ আগে থেকেই শোনা যাচ্ছিল। আগের পাঁচ বছরে এবং বর্তমানের ১৫ মাসে কী ব্যবস্খা নিয়েছেন হাসিনা, কী ব্যবস্খা নিয়েছে তার সরকার?</p><p>বিদ্যুতের অভাব, গ্যাসের অভাব, পানির অভাব এবং পাগলা ঘোড়ার মতো বেসামাল দ্রব্যমূল্যে বাংলাদেশের প্রায় সব মানুষ দু:সহ জীবন যাপন করছে এখন। আর বেশি দিন এসব সঙ্কট তারা সহ্য করবে না। তাদের সবাই এখন শেখ হাসিনার সরকারের ওপর বিরূপ, তারা এ সরকারের অত্যাচার আর কুশাসন থেকে নিষ্কৃতি চায়। বিএনপি এবং অন্য বিরোধীদের ওপর অহেতুক দোষ চাপিয়ে হাসিনা দেশের মানুষের ক্রোধে ঘৃতাহুতি দিচ্ছেন মাত্র। প্রধানমন্ত্রীর উচিত হচ্ছে­ অনন্তকাল স্খায়ী মামলা ও বিচারবিলাস ত্যাগ করে দেশে শান্তি ও সমঝোতা ফিরিয়ে আনা; প্রকৃত পরিস্খিতি স্বীকার করে নিয়ে দেশের সর্বব্যাপী সঙ্কট মোকাবেলায় সবার সাহায্য ও সহযেগিতা প্রার্থনা করা।<br
/> বাংলাদেশের বয়স ৩৯ বছর হলো। সে অনুপাতে উন্নতি-প্রগতি দেশে হয়েছে কি? আরো ২০-২৫ বছর বিচার-বিচার খেলা চললে দেশ হিংসা-প্রতিহিংসা এবং প্রতিশোধের বিষবাষ্পে ছেয়ে যাবে, শতধা বিভক্ত হয়ে যাবে দেশবাসী। তেমন অবস্খায় এ দেশটাকে অনায়াসেই দখল করে নিতে পারবে শেখ হাসিনার বিদেশী পৃষ্ঠপোষকরা। তার প্রস্তুতিই কি চলছে এখন?</p><p>আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানিদের পরই প্রধান বিরোধী ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানিদের সব সমরাস্ত্র জুগিয়েছে ওয়াশিংটন। মুক্তিযুদ্ধে সাহায্য দান থেকে বিরত রাখার জন্য মার্কিন সপ্তম নৌবহরকে বঙ্গোপসাগরে পাঠানো হয়েছিল। স্বাধীনতার পরেও বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃত দিতে অহেতুক বিলম্ব করেছে ওয়াশিংটন। বাংলাদেশের দুর্ভিক্ষে যখন ৭০ হাজার মানুষ মারা যায়, ওয়াশিংটন তখনো খাদ্য সাহায্য দিতে অস্বীকার করেছে­ এ অভিযোগ করেছেন স্বয়ং শেখ মুজিব। অনেকের বিশ্বাস, মুজিবের হত্যা ঘটেছিল সিআইএ’র পরিকল্পনায়। কিন্তু ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার অভিযোগ নেই, তাদের বিচার তার কাম্য নয়। হয়তো মার্কিন সরকারের সাথে তিনি সমঝোতা স্খাপন করতে চান। কিন্তু যেকোনো বুদ্ধিমান মানুষই তাকে বলে দেবেন, বিদেশীদের চেয়ে দেশের ভেতরে সমঝোতা স্খাপনই তার জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>(লন্ডন, ৩১.০৩.১০)</p><p><a
href="http://www.dailynayadiganta.com/2010/04/05/fullnews.asp?News_ID=all&amp;sec=6" target="_blank">দৈনিক নয়াদিগন্তে প্রকাশিত</a></p> <img
src="http://www.palabadal.com/?ak_action=api_record_view&id=47&type=feed" alt="" />]]></content:encoded> <wfw:commentRss>http://www.palabadal.com/post-item/47.html/feed</wfw:commentRss> <slash:comments>0</slash:comments> </item> </channel> </rss>